ইরানকে উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানাল আরব লিগ

ইরানের উপসাগরীয় আরব দেশগুলো এবং ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলে (কেআরআই) হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আরব লিগ। সংস্থাটি বলেছে, এসব হামলার মাধ্যমে আঞ্চলিক সংঘাত আরও বিস্তৃত করা, মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থিতিশীল করা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। শনিবার এক বিবৃতিতে আরব লিগের মহাসচিব নাবিল ফাহমি বলেন, কুর্দিস্তান অঞ্চল ও উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর হামলা ছিল ‘অপরাধমূলক ও বেপরোয়া’। তিনি অভিযোগ করেন, বাহরাইন, জর্ডান, কাতার ও কুয়েতে ইরানের ক্রমবর্ধমান হামলায় গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার মতে, এটি এমন একটি আগ্রাসী আচরণের বহিঃপ্রকাশ, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ফাহমি বলেন, ‘যে কোনো আরব দেশের ওপর হামলা পুরো আরব বিশ্বের জাতীয় নিরাপত্তা ও যৌথ স্বার্থের ওপর হামলার শামিল।’ তিনি ইরানকে উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়ে অবিলম্বে হামলা বন্ধ করতে, সমুদ্রপথের নিরাপত্তার বিরুদ্ধে হুমকি থেকে বিরত থাকতে এবং আলোচনার টেবিলে ফিরে এসে আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা মেনে চলার আহ্বান জানান। এর আগে শনিবার ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের সুলাইমানিয়া ও এরবিলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে। হা

ইরানকে উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানাল আরব লিগ
ইরানের উপসাগরীয় আরব দেশগুলো এবং ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলে (কেআরআই) হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আরব লিগ। সংস্থাটি বলেছে, এসব হামলার মাধ্যমে আঞ্চলিক সংঘাত আরও বিস্তৃত করা, মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থিতিশীল করা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। শনিবার এক বিবৃতিতে আরব লিগের মহাসচিব নাবিল ফাহমি বলেন, কুর্দিস্তান অঞ্চল ও উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর হামলা ছিল ‘অপরাধমূলক ও বেপরোয়া’। তিনি অভিযোগ করেন, বাহরাইন, জর্ডান, কাতার ও কুয়েতে ইরানের ক্রমবর্ধমান হামলায় গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার মতে, এটি এমন একটি আগ্রাসী আচরণের বহিঃপ্রকাশ, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ফাহমি বলেন, ‘যে কোনো আরব দেশের ওপর হামলা পুরো আরব বিশ্বের জাতীয় নিরাপত্তা ও যৌথ স্বার্থের ওপর হামলার শামিল।’ তিনি ইরানকে উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়ে অবিলম্বে হামলা বন্ধ করতে, সমুদ্রপথের নিরাপত্তার বিরুদ্ধে হুমকি থেকে বিরত থাকতে এবং আলোচনার টেবিলে ফিরে এসে আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা মেনে চলার আহ্বান জানান। এর আগে শনিবার ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের সুলাইমানিয়া ও এরবিলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় একটি গোলাবারুদ গুদাম এবং ইরানবিরোধী কুর্দি গোষ্ঠীগুলোর ব্যবহৃত কয়েকটি ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু হয়। তেহরান আনুষ্ঠানিকভাবে এসব হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে অতীতে ইরান কুর্দিস্তান অঞ্চলে অবস্থানরত ইরানবিরোধী কুর্দি গোষ্ঠীগুলোর ঘাঁটিতে একাধিকবার হামলা চালিয়েছে।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow