ইরানকে এখনই আলোচনার টেবিলে ফিরতে হবে: জার্মান চ্যান্সেলর
ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দিয়েছে জার্মানি। দেশটির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মারজ বলেন, ইরানকে এখনই আলোচনার টেবিলে ফিরতে হবে। শুক্রবার (১৫ মে) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। মারজ বলেন, চীন সফর শেষে ফেরার পথে তিনি ফোনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছেন। তারা দুজন একমত হয়েছেন যে, ইরানকে এখনই আলোচনার টেবিলে ফিরতে হবে। দেশটিকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া যাবে না। তিনি আরও বলেন, ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে হবে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আসা ‘পরস্পরবিরোধী বার্তা’ চলমান আলোচনাকে জটিল করে তুলছে। শুক্রবার (১৫ মে) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিতে প্রচারিত বক্তব্যে আরাগচি বলেন, হরমুজ প্রণালিতে সৃষ্ট বিঘ্নের জন্য ইরান দায়ী নয়। তিনি দাবি করেন, তেহরান যুদ্ধ শুরু করেনি; বরং তারা কেবল আত্মরক্ষামূলক অবস্থানে রয়েছে। তিনি বলেন, ‘বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর’ জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রয়েছে। তবে সেগুলোকে ইরানি
ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দিয়েছে জার্মানি। দেশটির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মারজ বলেন, ইরানকে এখনই আলোচনার টেবিলে ফিরতে হবে।
শুক্রবার (১৫ মে) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মারজ বলেন, চীন সফর শেষে ফেরার পথে তিনি ফোনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছেন। তারা দুজন একমত হয়েছেন যে, ইরানকে এখনই আলোচনার টেবিলে ফিরতে হবে। দেশটিকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া যাবে না।
তিনি আরও বলেন, ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে হবে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আসা ‘পরস্পরবিরোধী বার্তা’ চলমান আলোচনাকে জটিল করে তুলছে।
শুক্রবার (১৫ মে) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিতে প্রচারিত বক্তব্যে আরাগচি বলেন, হরমুজ প্রণালিতে সৃষ্ট বিঘ্নের জন্য ইরান দায়ী নয়। তিনি দাবি করেন, তেহরান যুদ্ধ শুরু করেনি; বরং তারা কেবল আত্মরক্ষামূলক অবস্থানে রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর’ জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রয়েছে। তবে সেগুলোকে ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে চলতে হবে। এই পথ কেবল ইরানের ‘শত্রুদের’ জন্য বন্ধ রয়েছে।
What's Your Reaction?