ইরানের নতুন কৌশল, ‘৫০০ কিলোমিটারের অপারেশনাল অর্ধচন্দ্র’

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের সামরিক ও কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ আরও সম্প্রসারণের ঘোষণা দিয়েছে। সেইসাথে সতর্ক করে দিয়েছে, দেশের আঞ্চলিক জলসীমা বা জাতীয় স্বার্থের কোনো লঙ্ঘন করতে দেবে না। আইআরজিসির নৌবাহিনীর রাজনৈতিক উপপ্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ আকবারজাদেহ আজ (মঙ্গলবার) বলেছেন, ইরান এখন জাস্ক ও সিরিক উপকূল থেকে কেশম দ্বীপ এবং গ্রেটার তুনব দ্বীপের বাইরের এলাকাকেও হরমুজ প্রণালির কৌশলগত অংশ হিসেবে দেখছে। তার ভাষায়, আগে প্রণালির কার্যকরী পরিসর ছিল মাত্র ২০ থেকে ৩০ মাইল। বর্তমানে তা বেড়ে ২০০ থেকে ৩০০ মাইল বা প্রায় ৫০০ কিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত একটি 'অপারেশনাল অর্ধচন্দ্র' অঞ্চলে পরিণত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী পুরো অঞ্চল নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং দেশের জলসীমা বা জাতীয় স্বার্থে কোনো ধরনের অনুপ্রবেশ সহ্য করা হবে না। আইআরজিসি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ চলাচলের জন্য ইরান নির্ধারিত একটি বিশেষ করিডর ব্যবহার করতে হবে। নির্ধারিত পথ থেকে সরে গেলে সংশ্লিষ্ট জাহাজের বিরুদ্ধে “কঠোর ব্যবস্থা” নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে তার

ইরানের নতুন কৌশল, ‘৫০০ কিলোমিটারের অপারেশনাল অর্ধচন্দ্র’

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের সামরিক ও কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ আরও সম্প্রসারণের ঘোষণা দিয়েছে। সেইসাথে সতর্ক করে দিয়েছে, দেশের আঞ্চলিক জলসীমা বা জাতীয় স্বার্থের কোনো লঙ্ঘন করতে দেবে না।

আইআরজিসির নৌবাহিনীর রাজনৈতিক উপপ্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ আকবারজাদেহ আজ (মঙ্গলবার) বলেছেন, ইরান এখন জাস্ক ও সিরিক উপকূল থেকে কেশম দ্বীপ এবং গ্রেটার তুনব দ্বীপের বাইরের এলাকাকেও হরমুজ প্রণালির কৌশলগত অংশ হিসেবে দেখছে।

তার ভাষায়, আগে প্রণালির কার্যকরী পরিসর ছিল মাত্র ২০ থেকে ৩০ মাইল। বর্তমানে তা বেড়ে ২০০ থেকে ৩০০ মাইল বা প্রায় ৫০০ কিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত একটি 'অপারেশনাল অর্ধচন্দ্র' অঞ্চলে পরিণত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী পুরো অঞ্চল নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং দেশের জলসীমা বা জাতীয় স্বার্থে কোনো ধরনের অনুপ্রবেশ সহ্য করা হবে না।

আইআরজিসি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ চলাচলের জন্য ইরান নির্ধারিত একটি বিশেষ করিডর ব্যবহার করতে হবে। নির্ধারিত পথ থেকে সরে গেলে সংশ্লিষ্ট জাহাজের বিরুদ্ধে “কঠোর ব্যবস্থা” নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে তারা।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক উত্তেজনার পর থেকেই তারা হরমুজ প্রণালিতে আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এখানকার যেকোনো উত্তেজনা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ কৌশলগত এই জলপথের ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ ভাঙার মরিয়া প্রচেষ্টায় ইরানি জলসীমার কাছে যাওয়ার চেষ্টা করলে ইরানের প্রত্যক্ষ গোলাবর্ষণে তারা প্রতিহত হয়েছে।

সূত্র- পার্সটুডে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow