ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার নামে ছোড়া প্রথম ক্ষেপণাস্ত্রে যা লেখা ছিল

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মোজতবা খামেনিকে ঘিরে দেশটিতে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়। এর মধ্যেই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক দৃশ্য ঘিরে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে- যেখানে তার নামে ছোড়া প্রথম ক্ষেপণাস্ত্রের গায়ে বিশেষ বার্তা লেখা ছিল। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ফুটেজে দেখা গেছে, মোজতবা খামেনির নামে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর গায়ে লেখা ছিল ‘আপনার সেবায় নিয়োজিত, সৈয়দ মোজতবা।’  এর আগে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর তার ছেলে মোজতবা খামেনিকে দেশের নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে বেছে নেয় ৮৮ সদস্যের ধর্মীয় নেতাদের পরিষদ অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর তিনি ইরানের তৃতীয় সুপ্রিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব নেন। নতুন নেতা নির্বাচনের পর ইরানের বিভিন্ন শহরে সমর্থকরা রাজপথে নেমে আসেন। ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনিতে তারা নতুন নেতৃত্বকে স্বাগত জানান। একই সঙ্গে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী নতুন কমান্ডার ইন চিফের প্রতি শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত অনুগত থাকার শপথ নেয়। তবে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে বিতর্কও তৈরি হয়েছে। এর আগে জানুয়ারিতে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির বিরুদ্ধে বিক্ষ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার নামে ছোড়া প্রথম ক্ষেপণাস্ত্রে যা লেখা ছিল
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মোজতবা খামেনিকে ঘিরে দেশটিতে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়। এর মধ্যেই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক দৃশ্য ঘিরে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে- যেখানে তার নামে ছোড়া প্রথম ক্ষেপণাস্ত্রের গায়ে বিশেষ বার্তা লেখা ছিল। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ফুটেজে দেখা গেছে, মোজতবা খামেনির নামে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর গায়ে লেখা ছিল ‘আপনার সেবায় নিয়োজিত, সৈয়দ মোজতবা।’  এর আগে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর তার ছেলে মোজতবা খামেনিকে দেশের নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে বেছে নেয় ৮৮ সদস্যের ধর্মীয় নেতাদের পরিষদ অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর তিনি ইরানের তৃতীয় সুপ্রিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব নেন। নতুন নেতা নির্বাচনের পর ইরানের বিভিন্ন শহরে সমর্থকরা রাজপথে নেমে আসেন। ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনিতে তারা নতুন নেতৃত্বকে স্বাগত জানান। একই সঙ্গে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী নতুন কমান্ডার ইন চিফের প্রতি শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত অনুগত থাকার শপথ নেয়। তবে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে বিতর্কও তৈরি হয়েছে। এর আগে জানুয়ারিতে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছিল। নতুন সুপ্রিম লিডার ঘোষণার পরও কিছু এলাকায় প্রতিবাদকারীদের ‘মোজতবার মৃত্যু চাই’ স্লোগান দিতে দেখা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, চলমান উত্তেজনার মধ্যে মোজতবা খামেনির নেতৃত্বে ইরানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও কঠোর ও কট্টরপন্থি হয়ে উঠতে পারে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow