ইরানের পাল্টা হামলার ভয়ে শেল্টারে লুকাচ্ছে ইসরায়েলিরা
ইরানের পাল্টা হামলার ভয়ে শেল্টারে লুকাচ্ছে ইসরায়েলিরা। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে পূর্বঘোষণা ছাড়াই ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর পরপরই পাল্টা হামলা শুরু করে তেহরান। হামলার পর ইসরায়েলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। এদিন, ইসরায়েলের তেল আবিব, হাইফার মতো শহরগুলোতে হামলার সতর্কতা সাইরেন বাজতে শুরু করলে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটতে শুরু করে বাসিন্দারা। চোখের পলকে সমুদ্রসৈকত, বর্ডওয়াক, এমনকি হাসপাতালগুলো খালি হয়ে যায়। ভিড় জমে আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিং লট ও ওভারপাসগুলোতে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের বেডসহ নিচে আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিংয়ে সরিয়ে নেন নিরাপত্তা কর্মীরা। ইরানে হামলা চালানোর সময় ইসরায়েলি বাহিনী দেশটির নাগরিকদের সুরক্ষিত স্থানের কাছাকাছি থাকার নির্দেশ দেয়। তারা জানিয়েছে, সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় জনগণকে প্রস্তুত রাখতে এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। একজন ইসরায়েলি নিরাপত্তা কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, এ সামরিক অভিযান কয়েক মাস ধরে পরিকল্পিত ছিল এবং কয়েক সপ্তাহ আগেই এর সময় নির্ধারণ করা হয়। প্রতিরক্ষা সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘শিল্ড অব জুডাহ’ নামের এই অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য হলো
ইরানের পাল্টা হামলার ভয়ে শেল্টারে লুকাচ্ছে ইসরায়েলিরা। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে পূর্বঘোষণা ছাড়াই ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর পরপরই পাল্টা হামলা শুরু করে তেহরান। হামলার পর ইসরায়েলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়।
এদিন, ইসরায়েলের তেল আবিব, হাইফার মতো শহরগুলোতে হামলার সতর্কতা সাইরেন বাজতে শুরু করলে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটতে শুরু করে বাসিন্দারা।
চোখের পলকে সমুদ্রসৈকত, বর্ডওয়াক, এমনকি হাসপাতালগুলো খালি হয়ে যায়। ভিড় জমে আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিং লট ও ওভারপাসগুলোতে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের বেডসহ নিচে আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিংয়ে সরিয়ে নেন নিরাপত্তা কর্মীরা।
ইরানে হামলা চালানোর সময় ইসরায়েলি বাহিনী দেশটির নাগরিকদের সুরক্ষিত স্থানের কাছাকাছি থাকার নির্দেশ দেয়। তারা জানিয়েছে, সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় জনগণকে প্রস্তুত রাখতে এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।
একজন ইসরায়েলি নিরাপত্তা কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, এ সামরিক অভিযান কয়েক মাস ধরে পরিকল্পিত ছিল এবং কয়েক সপ্তাহ আগেই এর সময় নির্ধারণ করা হয়।
প্রতিরক্ষা সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘শিল্ড অব জুডাহ’ নামের এই অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য হলো ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য হুমকি দূর করা, বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ও মানববিহীন আকাশযানের ঘাঁটিগুলো লক্ষ্যবস্তু করা।
সূত্র: আল-জাজিরা, এনবিসি
কেএএ/
What's Your Reaction?