ইরানের বিরুদ্ধে একজোট জাপানসহ ৬ দেশ

মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে সাম্প্রতিক হামলার পর বিশ্ববাজারে তেল-গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ বেড়েছে। এর মধ্যে ইউরোপের কয়েকটি দেশ ও জাপান যৌথ উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছে।  বৃহস্পতিবার ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস ও জাপানের নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, তারা হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পদক্ষেপে অংশ নিতে প্রস্তুত। যদিও কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। খবর আলজাজিরার।  বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বেসামরিক অবকাঠামো বিশেষ করে তেল ও গ্যাস স্থাপনাগুলোর ওপর হামলা বন্ধে অবিলম্বে একটি সর্বাত্মক স্থগিতাদেশ প্রয়োজন। এদিকে, জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি ঠেকাতে আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থা (আইইএ) ইতোমধ্যে সদস্য দেশগুলোর কৌশলগত তেলের মজুত থেকে সমন্বিতভাবে সরবরাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা তাদের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় উদ্যোগ। যৌথ বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল রাখতে উৎপাদনকারী দেশগুলোর সঙ্গে কাজ করে তেল ও গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগও নেওয়া হবে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প

ইরানের বিরুদ্ধে একজোট জাপানসহ ৬ দেশ

মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে সাম্প্রতিক হামলার পর বিশ্ববাজারে তেল-গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ বেড়েছে। এর মধ্যে ইউরোপের কয়েকটি দেশ ও জাপান যৌথ উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছে। 

বৃহস্পতিবার ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস ও জাপানের নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, তারা হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পদক্ষেপে অংশ নিতে প্রস্তুত। যদিও কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। খবর আলজাজিরার। 

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বেসামরিক অবকাঠামো বিশেষ করে তেল ও গ্যাস স্থাপনাগুলোর ওপর হামলা বন্ধে অবিলম্বে একটি সর্বাত্মক স্থগিতাদেশ প্রয়োজন।

এদিকে, জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি ঠেকাতে আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থা (আইইএ) ইতোমধ্যে সদস্য দেশগুলোর কৌশলগত তেলের মজুত থেকে সমন্বিতভাবে সরবরাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা তাদের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় উদ্যোগ।

যৌথ বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল রাখতে উৎপাদনকারী দেশগুলোর সঙ্গে কাজ করে তেল ও গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগও নেওয়া হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রভাব বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে, আর সেই প্রেক্ষাপটেই এই আন্তর্জাতিক উদ্যোগ সামনে এসেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow