ইরানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনল যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির অভিযোগ, ইন্টারনেট সীমাবদ্ধতা থেকে মুনাফা লুটছে ইরান। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে সেখান থেকে মুনাফা অর্জনের অভিযোগ তুলেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের দাবি, এসব সীমাবদ্ধতার কারণে অনলাইন সেবায় প্রবেশ সাধারণ মানুষের জন্য ক্রমেই দুর্বহ ও ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে জানিয়েছে, ইরানিদের সীমিত ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য ভিপিএন কিনতে বড় অঙ্কের অর্থ খরচ করতে বাধ্য করা হচ্ছে। অথচ একই সময়ে বহু পরিবার খাদ্য ও বাড়িভাড়ার মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ মেটাতেই হিমশিম খাচ্ছে। পোস্টে বলা হয়, ইন্টারনেটের ওপর এই নিয়ন্ত্রণের ফলে এটি এখন একটি বিলাসপণ্যে পরিণত হয়েছে, যা কেবল অল্পসংখ্যক মানুষের নাগালে রয়েছে। দেশটির লাখো মানুষের জন্য ইন্টারনেট এখন একটি অত্যাবশ্যক যোগাযোগমাধ্যম ও জীবনরেখায় পরিণত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর অভিযোগ করেছে, ইরানি কর্তৃপক্ষ জনদুর্ভোগকে ক

ইরানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনল যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির অভিযোগ, ইন্টারনেট সীমাবদ্ধতা থেকে মুনাফা লুটছে ইরান। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে সেখান থেকে মুনাফা অর্জনের অভিযোগ তুলেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের দাবি, এসব সীমাবদ্ধতার কারণে অনলাইন সেবায় প্রবেশ সাধারণ মানুষের জন্য ক্রমেই দুর্বহ ও ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে জানিয়েছে, ইরানিদের সীমিত ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য ভিপিএন কিনতে বড় অঙ্কের অর্থ খরচ করতে বাধ্য করা হচ্ছে। অথচ একই সময়ে বহু পরিবার খাদ্য ও বাড়িভাড়ার মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ মেটাতেই হিমশিম খাচ্ছে। পোস্টে বলা হয়, ইন্টারনেটের ওপর এই নিয়ন্ত্রণের ফলে এটি এখন একটি বিলাসপণ্যে পরিণত হয়েছে, যা কেবল অল্পসংখ্যক মানুষের নাগালে রয়েছে। দেশটির লাখো মানুষের জন্য ইন্টারনেট এখন একটি অত্যাবশ্যক যোগাযোগমাধ্যম ও জীবনরেখায় পরিণত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর অভিযোগ করেছে, ইরানি কর্তৃপক্ষ জনদুর্ভোগকে কাজে লাগিয়ে আর্থিক লাভ করছে। একই সঙ্গে তারা ইরানে অবাধ ও নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে। তারা বলছে, বাইরের বিশ্বের সঙ্গে সংযুক্ত থাকার জন্য মানুষকে যেন দৈনন্দিন প্রয়োজনীয়তা ও যোগাযোগের মধ্যে একটি বেছে নিতে বাধ্য না করা হয়। এর আগে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ইরানজুড়ে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় ইন্টারনেট সংযোগ। দেশটিতে কয়েক দিন ধরে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে চলা বিক্ষোভ সহিংস আন্দোলনে রূপ নেয়। এমন পরিস্থিতিতে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেয় ইরান। গত ৮ জানুয়ারি অনলাইন পর্যবেক্ষক গ্রুপ নেটব্লকস জানায়, ইরানের সব জায়গায় ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট পরিলক্ষিত হচ্ছে। ইন্টারনেট বিচ্ছিন্নের আগে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ডিজিটাল সেন্সরশিপ ব্যবস্থা নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে গ্রুপটি। তারা বলেছে, যখন দেশটিতে সংকটময় মুহূর্ত চলছে তখন ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন করে সাধারণ মানুষের যোগাযোগের অধিকারকে ব্যাহত করা হচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow