ইরানের বুশেহর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে তৃতীয় দফায় মিসাইল হামলা
ইরানের পারমাণবিক শক্তি সংস্থা নিশ্চিত করেছে যে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। ইসলামী প্রজাতন্ত্রকে লক্ষ্য করে চলমান মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনে এটি স্থাপনাটির ওপর তৃতীয় দফা হামলা। শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাতে সংঘটিত এ হামলায় কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। স্থাপনাটির আর্থিক বা প্রযুক্তিগত কোনো ক্ষয়ক্ষতিও হয়নি। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলেও তারা জানিয়েছে। খবর আল জাজিরার।
তবে এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তেহরান। তারা বলেছে, শান্তিপূর্ণ পরমাণু স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো আন্তর্জাতিক আইন ও বিভিন্ন চুক্তির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী, এ ধরনের স্থাপনা সামরিক হামলা থেকে সুরক্ষিত থাকার কথা।
ইরান আরও সতর্ক করে বলেছে, এমন হামলা শুধু একটি দেশের জন্য নয়, বরং পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরমাণু স্থাপনার আশপাশে কোনো ধরনের সামরিক হামলা বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়।
সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই ঘটনা নতুন করে উদ্
ইরানের পারমাণবিক শক্তি সংস্থা নিশ্চিত করেছে যে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। ইসলামী প্রজাতন্ত্রকে লক্ষ্য করে চলমান মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনে এটি স্থাপনাটির ওপর তৃতীয় দফা হামলা। শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাতে সংঘটিত এ হামলায় কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। স্থাপনাটির আর্থিক বা প্রযুক্তিগত কোনো ক্ষয়ক্ষতিও হয়নি। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলেও তারা জানিয়েছে। খবর আল জাজিরার।
তবে এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তেহরান। তারা বলেছে, শান্তিপূর্ণ পরমাণু স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো আন্তর্জাতিক আইন ও বিভিন্ন চুক্তির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী, এ ধরনের স্থাপনা সামরিক হামলা থেকে সুরক্ষিত থাকার কথা।
ইরান আরও সতর্ক করে বলেছে, এমন হামলা শুধু একটি দেশের জন্য নয়, বরং পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরমাণু স্থাপনার আশপাশে কোনো ধরনের সামরিক হামলা বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়।
সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিকটে এই হামলার ঘটনা আঞ্চলিক পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে। বিষয়টি আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।