ইরানের সঙ্গে সঠিক ব্যক্তিদের মাধ্যমে যোগাযোগ চলছে : ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে সঠিক ব্যক্তিদের মাধ্যমে যোগাযোগ চলছে। তেহরানও দ্রুত চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী। মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আমরা সঠিক লোকদের সঙ্গেই কথা বলছি। তারা খুবই মরিয়া হয়ে চুক্তি করতে চায়। ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে ‘বড় অঙ্কের একটি উপহার’ পাঠিয়েছে, যা তেল ও গ্যাসসংশ্লিষ্ট। তবে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে এই যোগাযোগে যুক্ত আছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, দূত স্টিভ উইটকফ এবং তার জামাতা জ্যারেড কুশনারসহ আরও কয়েকজন কর্মকর্তা। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরান যুক্তিসঙ্গতভাবে কথা বলছে এবং তারা নাকি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। যদিও ইরান বরাবরই বলে আসছে, তাদের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে ইরান এখনো ট্রাম্পের এসব দাবি নিশ্চিত করেনি। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা এবং ইরানের পাল্টা আক্রমণের মধ্য দিয়ে সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করেছে। এতে বহু মানুষ নিহত হয়েছে এবং বিভিন্ন দেশের অ

ইরানের সঙ্গে সঠিক ব্যক্তিদের মাধ্যমে যোগাযোগ চলছে : ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে সঠিক ব্যক্তিদের মাধ্যমে যোগাযোগ চলছে। তেহরানও দ্রুত চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী। মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আমরা সঠিক লোকদের সঙ্গেই কথা বলছি। তারা খুবই মরিয়া হয়ে চুক্তি করতে চায়। ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে ‘বড় অঙ্কের একটি উপহার’ পাঠিয়েছে, যা তেল ও গ্যাসসংশ্লিষ্ট। তবে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে এই যোগাযোগে যুক্ত আছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, দূত স্টিভ উইটকফ এবং তার জামাতা জ্যারেড কুশনারসহ আরও কয়েকজন কর্মকর্তা। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরান যুক্তিসঙ্গতভাবে কথা বলছে এবং তারা নাকি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। যদিও ইরান বরাবরই বলে আসছে, তাদের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে ইরান এখনো ট্রাম্পের এসব দাবি নিশ্চিত করেনি। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা এবং ইরানের পাল্টা আক্রমণের মধ্য দিয়ে সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করেছে। এতে বহু মানুষ নিহত হয়েছে এবং বিভিন্ন দেশের অবকাঠামোর ক্ষতি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ চললেও উভয় পক্ষই কূটনৈতিকভাবে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করছে। তবে আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা এখনো শুরু হয়নি, ফলে পরিস্থিতি অনিশ্চিতই রয়ে গেছে। সূত্র : মিডল ইস্ট মনিটর  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow