ইরানের হামলার ভয়ে মানসিক রোগী বাড়ছে ইসরায়েলে

ইরানি হামলার আতঙ্কে আশ্রয়কেন্দ্রে ছোটাছুটি করে দিন কাটছে ইসরায়েলিদের। আর এমন অবস্থায় ইহুদিবাদীদের মধ্যে মানসিক রোগের প্রাদুর্ভাব  বাড়ছে বিপজ্জনক হারে। এমনি চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে ইরানি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ।  ইরান ও হিজবুল্লাহর বিরামহীন ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলার আতঙ্কে দিন-রাত এক চরম অনিশ্চয়তায় পার করছেন ইসরায়েলিরা।  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দখলকৃত ভূখণ্ডে এখন সাইরেনের শব্দ যেন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। যখনই ইরান কিংবা লেবানন থেকে হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র বা চালকহীন ড্রোনের শঙ্কা দেখা দেয়, তখনই বাজতে শুরু করে বিপদ সংকেত। সাইরেন বাজলেই প্রাণ বাঁচাতে বাসিন্দাদের পাগলের মতো ছুটতে হয় সুরক্ষিত আশ্রয়কেন্দ্রে। কিছুক্ষণ পর বিপদ কেটে গেছে ঘোষণা এলে তারা আবার ঘরে ফেরে। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে এই ভীতিকর ঘটনার আবারও ঘটছে। এই চরম আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তার মাঝে যুক্ত হয়েছে প্রযুক্তিগত বিভ্রাটও। তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, অনেক সময় কোনো ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন না এলেও শুধু শুধু সাইরেন বেজে উঠছে, যা ইসরাইলিদের মনে মিথ্যা আতঙ্ক তৈরি করছে। আবার এর চেয়েও ভয়ংকর ঘটনা হলো, কখনো কখনো মিসাইল বা ড্রোন

ইরানের হামলার ভয়ে মানসিক রোগী বাড়ছে ইসরায়েলে

ইরানি হামলার আতঙ্কে আশ্রয়কেন্দ্রে ছোটাছুটি করে দিন কাটছে ইসরায়েলিদের। আর এমন অবস্থায় ইহুদিবাদীদের মধ্যে মানসিক রোগের প্রাদুর্ভাব  বাড়ছে বিপজ্জনক হারে। এমনি চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে ইরানি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ।  ইরান ও হিজবুল্লাহর বিরামহীন ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলার আতঙ্কে দিন-রাত এক চরম অনিশ্চয়তায় পার করছেন ইসরায়েলিরা। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দখলকৃত ভূখণ্ডে এখন সাইরেনের শব্দ যেন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। যখনই ইরান কিংবা লেবানন থেকে হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র বা চালকহীন ড্রোনের শঙ্কা দেখা দেয়, তখনই বাজতে শুরু করে বিপদ সংকেত। সাইরেন বাজলেই প্রাণ বাঁচাতে বাসিন্দাদের পাগলের মতো ছুটতে হয় সুরক্ষিত আশ্রয়কেন্দ্রে। কিছুক্ষণ পর বিপদ কেটে গেছে ঘোষণা এলে তারা আবার ঘরে ফেরে। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে এই ভীতিকর ঘটনার আবারও ঘটছে।

এই চরম আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তার মাঝে যুক্ত হয়েছে প্রযুক্তিগত বিভ্রাটও। তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, অনেক সময় কোনো ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন না এলেও শুধু শুধু সাইরেন বেজে উঠছে, যা ইসরাইলিদের মনে মিথ্যা আতঙ্ক তৈরি করছে। আবার এর চেয়েও ভয়ংকর ঘটনা হলো, কখনো কখনো মিসাইল বা ড্রোন ইসরায়েলের দিকে ধেয়ে এলেও কোনো সাইরেনই বাজছে না। এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের মনে এক ধরনের মৃত্যুভয় এবং মানসিক আঘাত সৃষ্টি করেছে।

ইরানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া এই সংঘাতকে অনেকেই রমজান যুদ্ধ বলে আখ্যা দিচ্ছেন। এই যুদ্ধের শুরু থেকেই অজানা আতঙ্ক, বিনিদ্র রজনী এবং অবিরাম ছুটোছুটির কারণে ইসরায়েলিদের মধ্যে মানসিক রোগের মাত্রা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে।

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow