ইরানের হামলায় কতজন নিহত, জানাল ইসরায়েল
ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ৪,৮২৯ জন আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ১১১ জন এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সংস্থা এক্সের মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, হাসপাতালে ভর্তি হওয়াদের মধ্যে ১২ জনের অবস্থা গুরুতর, ২১ জনের অবস্থা মাঝারি এবং ৭৮ জনের আঘাত সামান্য বলে জানা গেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর যৌথ হামলা চালানোর পর থেকে আঞ্চলিক উত্তেজনা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে, যাতে তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ এ পর্যন্ত ১,৩৪০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
ইরান পাল্টা হামলা চালিয়ে ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক এবং মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনকারী উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে, যার ফলে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে, অবকাঠামোর ক্ষতি হয়েছে এবং বৈশ্বিক বাজার ও বিমান চলাচল ব্যাহত হয়েছে।
উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে
ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ৪,৮২৯ জন আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ১১১ জন এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সংস্থা এক্সের মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, হাসপাতালে ভর্তি হওয়াদের মধ্যে ১২ জনের অবস্থা গুরুতর, ২১ জনের অবস্থা মাঝারি এবং ৭৮ জনের আঘাত সামান্য বলে জানা গেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর যৌথ হামলা চালানোর পর থেকে আঞ্চলিক উত্তেজনা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে, যাতে তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ এ পর্যন্ত ১,৩৪০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
ইরান পাল্টা হামলা চালিয়ে ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক এবং মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনকারী উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে, যার ফলে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে, অবকাঠামোর ক্ষতি হয়েছে এবং বৈশ্বিক বাজার ও বিমান চলাচল ব্যাহত হয়েছে।
উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।
তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে অপারেশন এপিক ফিউরি শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান অপারেশন রোয়ারিং লায়ন শুরু করে ইসরায়েলও।