ইরানের হামলা আরও বিধ্বংসী ও কঠোর হবে: আইআরজিসি

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলা আরও “বিধ্বংসী ও কঠোর” হবে। খবর তাসনিম নিউজ এজেন্সি। মঙ্গলবার এক বক্তব্যে আইআরজিসির মুখপাত্র Ali Mohammad Naeini বলেন, ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর আওতায় ইসরাইল অধিকৃত ভূখণ্ড ও অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে যে হামলা চালানো হয়েছে, তা চলমান যুদ্ধে প্রথম ও দ্বিতীয় দিনে গত বছরের ১২ দিনের যুদ্ধের তুলনায় আরও শক্তিশালী ছিল। তিনি দাবি করেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা আগের চেয়ে অনেক উন্নত করা হয়েছে এবং এবার ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ২০২৫ সালের যুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্রের চেয়ে অধিক আধুনিক। তার ভাষ্য, লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা শত্রুপক্ষের প্রত্যাশার চেয়েও বেশি ছিল এবং এতে তারা বিস্মিত হয়েছে। নাঈনি সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে অব্যাহত হামলার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। তার বক্তব্য অনুযায়ী, “প্রতিটি মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নিস্ট শাসনের জন্য নরকের দ্বার আরও উন্মুক্ত হবে।” উল্লেখ্য, ওমানের মধ্যস্থতায় তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পরোক্ষ পারমাণবিক আলোচনা চলাক

ইরানের হামলা আরও বিধ্বংসী ও কঠোর হবে: আইআরজিসি

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলা আরও “বিধ্বংসী ও কঠোর” হবে। খবর তাসনিম নিউজ এজেন্সি।

মঙ্গলবার এক বক্তব্যে আইআরজিসির মুখপাত্র Ali Mohammad Naeini বলেন, ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর আওতায় ইসরাইল অধিকৃত ভূখণ্ড ও অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে যে হামলা চালানো হয়েছে, তা চলমান যুদ্ধে প্রথম ও দ্বিতীয় দিনে গত বছরের ১২ দিনের যুদ্ধের তুলনায় আরও শক্তিশালী ছিল।

তিনি দাবি করেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা আগের চেয়ে অনেক উন্নত করা হয়েছে এবং এবার ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ২০২৫ সালের যুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্রের চেয়ে অধিক আধুনিক। তার ভাষ্য, লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা শত্রুপক্ষের প্রত্যাশার চেয়েও বেশি ছিল এবং এতে তারা বিস্মিত হয়েছে।

নাঈনি সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে অব্যাহত হামলার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। তার বক্তব্য অনুযায়ী, “প্রতিটি মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নিস্ট শাসনের জন্য নরকের দ্বার আরও উন্মুক্ত হবে।”

উল্লেখ্য, ওমানের মধ্যস্থতায় তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পরোক্ষ পারমাণবিক আলোচনা চলাকালে ২৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার ভোরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে হামলা শুরু করে।

ইরানের দাবি, ওই হামলায় ইসলামী বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা Ali Khamenei, কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডার ও শতাধিক বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।

এর জবাবে ইরান ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’ শুরু করে, যার আওতায় ইসরাইলি লক্ষ্যবস্তু ও আঞ্চলিক মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হচ্ছে বলে আইআরজিসি জানিয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow