ইরানে হামলা ইরাক অভিযানের চেয়ে দ্বিগুণ বড়
‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরুর প্রথম ১০০ ঘণ্টায় ইরানজুড়ে ‘প্রচণ্ড ও নজিরবিহীন’ হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র— এমন দাবি করেছেন মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার। তিনি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) আঞ্চলিক যুদ্ধকালীন কার্যক্রমের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া হামলার প্রথম ২৪ ঘণ্টার তীব্রতা ২০০৩ সালে ইরাকে চালানো ‘শক অ্যান্ড অ’ অভিযানের তুলনায় দ্বিগুণ ছিল। খবর : গালফ নিউজ
অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বলেন, ‘আমরা সমুদ্রের তলদেশ থেকে শুরু করে মহাকাশ ও সাইবার স্পেস পর্যন্ত ইরানের ওপর ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন হামলা চালিয়ে যাচ্ছি।’
তার দাবি, এখন পর্যন্ত প্রায় দুই হাজার লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, শত শত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, লঞ্চার ও ড্রোন।
ইরানি নৌবাহিনী সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, ‘সহজ কথায়, আমাদের লক্ষ্য হলো এমন সব সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করা, যা আমাদের জন্য হুমকি হতে পারে। আমরা ইরানের নৌক্ষমতাকে কার্যত অচল করে দিচ্ছি।’
‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরুর প্রথম ১০০ ঘণ্টায় ইরানজুড়ে ‘প্রচণ্ড ও নজিরবিহীন’ হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র— এমন দাবি করেছেন মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার। তিনি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) আঞ্চলিক যুদ্ধকালীন কার্যক্রমের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া হামলার প্রথম ২৪ ঘণ্টার তীব্রতা ২০০৩ সালে ইরাকে চালানো ‘শক অ্যান্ড অ’ অভিযানের তুলনায় দ্বিগুণ ছিল। খবর : গালফ নিউজ
অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বলেন, ‘আমরা সমুদ্রের তলদেশ থেকে শুরু করে মহাকাশ ও সাইবার স্পেস পর্যন্ত ইরানের ওপর ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন হামলা চালিয়ে যাচ্ছি।’
তার দাবি, এখন পর্যন্ত প্রায় দুই হাজার লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, শত শত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, লঞ্চার ও ড্রোন।
ইরানি নৌবাহিনী সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, ‘সহজ কথায়, আমাদের লক্ষ্য হলো এমন সব সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করা, যা আমাদের জন্য হুমকি হতে পারে। আমরা ইরানের নৌক্ষমতাকে কার্যত অচল করে দিচ্ছি।’
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, মার্কিন বাহিনী ইরানের নয়টি ‘বড় ও গুরুত্বপূর্ণ’ জাহাজ ধ্বংস করেছে এবং বাকি জাহাজগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে কুপার জানান, ইরানের সবচেয়ে সচল সাবমেরিনসহ মোট ১৭টি জাহাজ ধ্বংস বা অকার্যকর করা হয়েছে। বন্দর আব্বাসের কাছে একটি ‘ফাতেহ-ক্লাস’ উপকূলীয় সাবমেরিন ডুবিয়ে দেওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
সেন্টকম আরও জানায়, মিডজেট সাবমেরিন ও ‘কিলো-ক্লাস’ সাবমেরিনের ওপরও হামলা চালানো হয়েছে। ফলে ইরানের সক্রিয় সাবমেরিন বহর বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে।
মার্কিন বাহিনী বি-২ বোমারু বিমান, এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান এবং টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে এসব হামলা পরিচালনা করছে বলে জানান ওই কমান্ডার।