ইরানে হামলা তীব্র করতে ইসরায়েলে পাঠানো হচ্ছে কয়েক ডজন রিফুয়েলিং বিমান
ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান আরও বিস্তৃত করার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এ লক্ষ্যে ইসরায়েলে আরও কয়েক ডজন আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী রিফুয়েলিং বিমান পাঠানোর পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কয়েকজন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর অ্যাক্সিওসের। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে নতুন কয়েকটি সামরিক পরিকল্পনা উপস্থাপনের পর হোয়াইট হাউস ইরানে হামলার পরিধি বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে। বর্তমানে হরমুজ প্রণালির আশপাশে যে হামলা চলছে, নতুন পরিকল্পনায় তার চেয়েও বিস্তৃত অভিযান চালানোর কথা রয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে রয়েছে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং পারমাণবিক স্থাপনা। এছাড়া পিকঅ্যাক্স মাউন্টেইনের ভূগর্ভস্থ একটি স্থাপনাতেও হামলার পরিকল্পনা বিবেচনায় রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ধারণা, সেখানে ইরান নতুন সামরিক অবকাঠামো গড়ে তুলছে। তবে ট্রাম্প এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। কর্মকর্তাদের ভাষ্য, ইরানকে আরও বড় ধরনের সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপে ফেলতে তিনি হামলার তীব্রতা বাড়ানোর পক্ষে রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য, ইরানকে হরমুজ প্
ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান আরও বিস্তৃত করার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এ লক্ষ্যে ইসরায়েলে আরও কয়েক ডজন আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী রিফুয়েলিং বিমান পাঠানোর পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কয়েকজন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর অ্যাক্সিওসের।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে নতুন কয়েকটি সামরিক পরিকল্পনা উপস্থাপনের পর হোয়াইট হাউস ইরানে হামলার পরিধি বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে। বর্তমানে হরমুজ প্রণালির আশপাশে যে হামলা চলছে, নতুন পরিকল্পনায় তার চেয়েও বিস্তৃত অভিযান চালানোর কথা রয়েছে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে রয়েছে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং পারমাণবিক স্থাপনা। এছাড়া পিকঅ্যাক্স মাউন্টেইনের ভূগর্ভস্থ একটি স্থাপনাতেও হামলার পরিকল্পনা বিবেচনায় রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ধারণা, সেখানে ইরান নতুন সামরিক অবকাঠামো গড়ে তুলছে।
তবে ট্রাম্প এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। কর্মকর্তাদের ভাষ্য, ইরানকে আরও বড় ধরনের সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপে ফেলতে তিনি হামলার তীব্রতা বাড়ানোর পক্ষে রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য, ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে এবং পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটনের শর্ত মেনে নিতে বাধ্য করা।
মার্কিন ও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কয়েক দিনের মধ্যেই হামলার মাত্রা বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হতে পারে।
এরই মধ্যে টানা পঞ্চম দিনের মতো হরমুজ প্রণালি ও ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের সামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী।
একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বন্দর আব্বাসের আশপাশের অন্তত সাতটি সেতুতে হামলা হয়েছে। এই শহরকে হরমুজ এলাকায় ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
অন্যদিকে ইরানও পাল্টা হামলা জোরদার করেছে। দেশটির দাবি, জর্ডান, কাতার, বাহরাইন, ইরাক ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া সিরিয়ায় একটি মার্কিন ঘাঁটিও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি। যদিও কয়েক মাস আগেই ওই ঘাঁটি থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছিল।
বর্তমানে তেল আবিবের বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৩০টি রিফুয়েলিং বিমান অবস্থান করছে। ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলের রেমন বিমানঘাঁটিতেও প্রায় একই সংখ্যক মার্কিন বিমান রয়েছে।
ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, খুব শিগগিরই আরও কয়েক ডজন রিফুয়েলিং বিমান পাঠাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। এতে যুদ্ধ শুরুর আগে যে পরিমাণ মার্কিন বিমান ইসরায়েলে ছিল, সেই অবস্থায় ফিরে যাবে দেশটি।
মার্কিন বাহিনী বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরকেই সবচেয়ে নিরাপদ ঘাঁটি হিসেবে বিবেচনা করছে। তাদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের অন্য বিমানঘাঁটিগুলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে।
তবে বিপুল সংখ্যক মার্কিন সামরিক বিমান বেন গুরিয়নে অবস্থান করায় ইসরায়েলের অভ্যন্তরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিমানবন্দরের কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় অনেক সাধারণ ফ্লাইট বাতিল হতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
ইসরায়েলের পরিবহনমন্ত্রী মিরি রেগেভ বেন গুরিয়ন থেকে মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান সরিয়ে নেওয়া বা সংখ্যা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তবে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে।
এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে, অতিরিক্ত মার্কিন বিমান কোথায় রাখা হবে, সেই ব্যবস্থা ইসরায়েল সরকারকেই করতে হবে।
What's Your Reaction?