ইরান চুক্তি না করলে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত মার্কিন বাহিনী : ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান কোনো চুক্তি না করলে মার্কিন সেনাবাহিনী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী যুদ্ধবিরতির সময়টিকে সরঞ্জাম পুনরায় সংগ্রহ করতে ব্যবহার করেছে এবং তার নির্দেশ পেলে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা পুনরায় শুরু করবে বলেও জানান তিনি।  মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, আমাদের কাছে পর্যাপ্ত মজুদ আছে।গোলাবারুদসহ সবকিছুই প্রচুর পরিমাণে আছে। যুদ্ধবিরতির সময় আমরা এগুলো মজুদ করেছি এবং সম্ভবত ইরানও কিছুটা মজুদ করেছে। তিনি বলেন, আমাদের হাতে অত সময় নেই, চুক্তি না হলে আমি যুদ্ধবিরতি বাড়াতে চাই না। যার মেয়াদ বুধবার শেষ হওয়ার কথা। তিনি আরও বলেন, একটি চুক্তিতে পৌঁছালে ইরান খুব ভালো অবস্থানে আসতে পারবে। কারণ আলোচনা করা ছাড়া ইরানি কর্মকর্তাদের  আর কোনো বিকল্প নেই। এদিকে আজ ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের সদস্য ও এমপি মোহাম্মদ রেজা মোহসেনি বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন। এ সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে অতিরিক্ত দাবিদার ও অভ্যন্তরীণ স্বার্থে গোপন উদ্দেশ্য সাধনের জন্য অভিযুক্ত করেন

ইরান চুক্তি না করলে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত মার্কিন বাহিনী : ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান কোনো চুক্তি না করলে মার্কিন সেনাবাহিনী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী যুদ্ধবিরতির সময়টিকে সরঞ্জাম পুনরায় সংগ্রহ করতে ব্যবহার করেছে এবং তার নির্দেশ পেলে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা পুনরায় শুরু করবে বলেও জানান তিনি। 

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, আমাদের কাছে পর্যাপ্ত মজুদ আছে।গোলাবারুদসহ সবকিছুই প্রচুর পরিমাণে আছে। যুদ্ধবিরতির সময় আমরা এগুলো মজুদ করেছি এবং সম্ভবত ইরানও কিছুটা মজুদ করেছে।

তিনি বলেন, আমাদের হাতে অত সময় নেই, চুক্তি না হলে আমি যুদ্ধবিরতি বাড়াতে চাই না। যার মেয়াদ বুধবার শেষ হওয়ার কথা।

তিনি আরও বলেন, একটি চুক্তিতে পৌঁছালে ইরান খুব ভালো অবস্থানে আসতে পারবে। কারণ আলোচনা করা ছাড়া ইরানি কর্মকর্তাদের  আর কোনো বিকল্প নেই।

এদিকে আজ ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের সদস্য ও এমপি মোহাম্মদ রেজা মোহসেনি বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন।

এ সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে অতিরিক্ত দাবিদার ও অভ্যন্তরীণ স্বার্থে গোপন উদ্দেশ্য সাধনের জন্য অভিযুক্ত করেন।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি, সাম্প্রতিক আগ্রাসন এবং পূর্ববর্তী আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের যে ইতিহাস; তা বিবেচনা করেই পরবর্তী দফার আলোচনা বন্ধ রয়েছে।

উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত ইসলামাবাদে কোনো ইরানি প্রতিনিধিদল পাঠানো হয়নি। ফলে, যুদ্ধবিরতির বৈঠকে ইরানের অংশগ্রহণ একটি বড় প্রশ্ন হিসেবেই রয়ে গেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow