ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী বৈঠক হতে যাচ্ছে যেখানে
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী বৈঠক কোথায় অনুষ্ঠিত হবে তা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা কল্পনা। সম্প্রতি পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর সবাই তাকিয়ে আছে পরবর্তী বৈঠকের দিকে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) আল জাজিরার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী বৈঠকের জন্য সম্ভাব্য দুটি শহরের নাম আলোচনায় রয়েছে। এ শহর দুটি হলো, পাকিস্তানের ইসলামাবাদ ও তুরস্কের ইস্তাম্বুল।
যদিও পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি ইরান বা যুক্তরাষ্ট্র। তবে বিভিন্ন সূত্রের বরাতে জানা যায়, অমীমাংসিত বেশকিছু বিষয় নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছানোর সুযোগ রয়েছে।
এর মধ্যে অন্যতম হলো ইরানের পারমাণবিক ও ইউরেনিয়াম ইস্যু। যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি ২০ বছরের জন্য স্থগিত করুক। অন্যদিকে, ইরান পাঁচ বছরের জন্য এ কর্মসূচি বন্ধ রাখতে রাজি হয়েছে। এ বিষয়ে সমঝোতার সুযোগ রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকেই।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও এর ভবিষ্যৎ। ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা ইঙ্গিত দিয়েছেন, ভবিষ্যতে এই প্রণালির ব্যবস্থাপনা আগের চেয়ে ভিন্ন হতে পারে।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী বৈঠক কোথায় অনুষ্ঠিত হবে তা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা কল্পনা। সম্প্রতি পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর সবাই তাকিয়ে আছে পরবর্তী বৈঠকের দিকে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) আল জাজিরার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী বৈঠকের জন্য সম্ভাব্য দুটি শহরের নাম আলোচনায় রয়েছে। এ শহর দুটি হলো, পাকিস্তানের ইসলামাবাদ ও তুরস্কের ইস্তাম্বুল।
যদিও পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি ইরান বা যুক্তরাষ্ট্র। তবে বিভিন্ন সূত্রের বরাতে জানা যায়, অমীমাংসিত বেশকিছু বিষয় নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছানোর সুযোগ রয়েছে।
এর মধ্যে অন্যতম হলো ইরানের পারমাণবিক ও ইউরেনিয়াম ইস্যু। যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি ২০ বছরের জন্য স্থগিত করুক। অন্যদিকে, ইরান পাঁচ বছরের জন্য এ কর্মসূচি বন্ধ রাখতে রাজি হয়েছে। এ বিষয়ে সমঝোতার সুযোগ রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকেই।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও এর ভবিষ্যৎ। ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা ইঙ্গিত দিয়েছেন, ভবিষ্যতে এই প্রণালির ব্যবস্থাপনা আগের চেয়ে ভিন্ন হতে পারে।
এছাড়া, উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের একটি বড় মজুত নিয়েও আলোচনা চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি প্রায় ৪৫০ কেজির বেশি ইউরেনিয়াম একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত ইরানি পারমাণবিক স্থাপনায় মাটির নিচে রাখা আছে। যদিও ইরান বলছে তা সরিয়ে ফেলা হবে। এই ইউরেনিয়ামকে ৩ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনার সম্ভাবনাও রয়েছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ছয় সপ্তাহ ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলার পর যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল, তা এখন ঝুঁকির মুখে। ইসলামাবাদে সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ব্যর্থ হওয়ায় উত্তেজনা আরও বেড়েছে।