ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে সংশয়

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাত নিরসনে শান্তি আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না। মঙ্গলবার এই দুই দেশের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধের কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে তেহরান আলোচনায় অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের অনুরোধে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ দুই সপ্তাহ বাড়িয়ে দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এতে চলমান সংঘাত অবসানে নিজস্ব পরিকল্পনা তৈরির জন্য আরও কিছুটা সময় পায় ইরান। হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, সম্প্রতি ইরানের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং আলোচনার পথে কিছুটা অগ্রগতিও হয়েছে। এই সংকট নিরসনে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সদস্য স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারের পাকিস্তানে যাওয়ার কথা রয়েছে। তবে তারা সেখানে কতটুকু সফল হবেন, তা নিয়ে বড় ধরনের সংশয় রয়ে গেছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ইসলামাবাদে পৌঁছে স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি মূলত পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার জন্য সেখানে এসেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি কোনো আলোচনায় তিনি অংশ নেবেন না। এর অর্থ হলো- ইরান কোনো বার্তা পাঠাতে চাইলে

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে সংশয়

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাত নিরসনে শান্তি আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না। মঙ্গলবার এই দুই দেশের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধের কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে তেহরান আলোচনায় অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানায়।

এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের অনুরোধে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ দুই সপ্তাহ বাড়িয়ে দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এতে চলমান সংঘাত অবসানে নিজস্ব পরিকল্পনা তৈরির জন্য আরও কিছুটা সময় পায় ইরান।

হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, সম্প্রতি ইরানের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং আলোচনার পথে কিছুটা অগ্রগতিও হয়েছে।

এই সংকট নিরসনে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সদস্য স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারের পাকিস্তানে যাওয়ার কথা রয়েছে। তবে তারা সেখানে কতটুকু সফল হবেন, তা নিয়ে বড় ধরনের সংশয় রয়ে গেছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ইসলামাবাদে পৌঁছে স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি মূলত পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার জন্য সেখানে এসেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি কোনো আলোচনায় তিনি অংশ নেবেন না।

এর অর্থ হলো- ইরান কোনো বার্তা পাঠাতে চাইলে তা পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমেই পৌঁছাতে হবে। তাই এই পরোক্ষ যোগাযোগের মাধ্যমে দ্রুত কোনো বড় ধরনের সাফল্যের সম্ভাবনা খুব কম বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, যুদ্ধ অবসানে চুক্তির জন্য তিনি তাড়াহুড়ো করছেন না। তবে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং নিজ দেশে তার জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ার কারণে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে ট্রাম্পের ওপর অভ্যন্তরীণ চাপ ক্রমশ বাড়ছে।

টিটিএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow