ইলেকশন মেকানিজমের অভিযোগ জাতীয় নির্বাচনের জন্য কলঙ্ক তিলক

ইলেকশন মেকানিজমের অভিযোগকে জাতীয় নির্বাচনের জন্য কলঙ্ক তিলক হিসেবে অভিহিত করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।  শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর রামপুরায় জামিয়া কারিমিয়া মিলনায়তনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী পর্যালোচনা সভায় এই মন্তব্য করেন তিনি। পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, পরপর ৩টি জাতীয় নির্বাচনে সীমাহীন জালিয়াতির ফলে সৃষ্ট স্বৈরতন্ত্র উৎখাতের জন্য ২৪ জুলাই গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল। অনেক রক্ত ও জীবনের বিনিময়ে স্বৈরাচারকে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল। আমরা স্বৈরাচারের সাথে চিরতরে স্বৈরতন্ত্রের বিলোপ চেয়েছিলাম। কিন্তু আক্ষেপের বিষয় হলো, ১২ ফেব্রুয়ারি যে নির্বাচন হলো, সেই নির্বাচনকে ঘিরে ইলেকশন মেকানিজমের অসংখ্য অভিযোগ উঠেছে। আমরাও আমাদের বিভিন্ন প্রার্থীদের থেকে অভিযোগ পেয়েছি যে অনেক বুথে এজেন্ট বের করে দেয়া, ভয়-ভীতি দেখানো, ভোট গণনায় ছলচাতুরিসহ নানা ধরনের অনিয়ম হয়েছে। এতো রক্ত ও জীবনের পরেও নির্বাচনের অনিয়ম রোধে ব্যর্থতা জাতিকে হতাশ করেছে।  এ সময় নির্বাচন কমিশনকে সকল অভিযোগ নির্মোহভাবে তদন্ত করার এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার

ইলেকশন মেকানিজমের অভিযোগ জাতীয় নির্বাচনের জন্য কলঙ্ক তিলক

ইলেকশন মেকানিজমের অভিযোগকে জাতীয় নির্বাচনের জন্য কলঙ্ক তিলক হিসেবে অভিহিত করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। 

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর রামপুরায় জামিয়া কারিমিয়া মিলনায়তনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী পর্যালোচনা সভায় এই মন্তব্য করেন তিনি।

পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, পরপর ৩টি জাতীয় নির্বাচনে সীমাহীন জালিয়াতির ফলে সৃষ্ট স্বৈরতন্ত্র উৎখাতের জন্য ২৪ জুলাই গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল। অনেক রক্ত ও জীবনের বিনিময়ে স্বৈরাচারকে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল। আমরা স্বৈরাচারের সাথে চিরতরে স্বৈরতন্ত্রের বিলোপ চেয়েছিলাম। কিন্তু আক্ষেপের বিষয় হলো, ১২ ফেব্রুয়ারি যে নির্বাচন হলো, সেই নির্বাচনকে ঘিরে ইলেকশন মেকানিজমের অসংখ্য অভিযোগ উঠেছে। আমরাও আমাদের বিভিন্ন প্রার্থীদের থেকে অভিযোগ পেয়েছি যে অনেক বুথে এজেন্ট বের করে দেয়া, ভয়-ভীতি দেখানো, ভোট গণনায় ছলচাতুরিসহ নানা ধরনের অনিয়ম হয়েছে। এতো রক্ত ও জীবনের পরেও নির্বাচনের অনিয়ম রোধে ব্যর্থতা জাতিকে হতাশ করেছে। 

এ সময় নির্বাচন কমিশনকে সকল অভিযোগ নির্মোহভাবে তদন্ত করার এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। 

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হাতপাখা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থীরা, দলের জেলা সভাপতি ও সেক্রেটারিবৃন্দ সভায় অংশগ্রহণ করেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow