ইসরায়েলি সেনার এক গুলিতে আহত ৩, প্রাণ গেল সাত মাস বয়সী ওয়িসামের
হেবরনে আত্মীয়দের বাড়ি থেকে ফেরার পথে একটি ফিলিস্তিনি পরিবারের গাড়িতে গুলি চালায় এক ইসরায়েলি সেনা। ওই সেনার এক গুলিতেই ফিলিস্তিনি পরিবারের তিন সদস্য আহত হন এবং সাত মাস বয়সী শিশু ওয়িসাম আবু হাইকাল নিহত হয়েছে। জানা গেছে, বাবা-মা ও বড় ভাইবোনের সঙ্গে গাড়িতে যাত্রা করছিলেন ওয়িসাম। দক্ষিণ হেবরনের ওয়াদি আল-হারিয়া এলাকায় তাদের গাড়ির ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। এর ফলে পারিবারিক যাত্রা মুহূর্তেই পরিণত হয় এক মর্মান্তিক ঘটনায়। ওয়িসামের চাচা আলা আবু হাইকাল কুদস নিউজ নেটওয়ার্ককে জানান, তার ভাই, ভাবি, সাত মাসের ওয়িসাম এবং ১১ বছর বয়সী আরেক সন্তান আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করে বাড়ি ফিরছিলেন। পরিবারের বর্ণনা অনুযায়ী, গাড়িটি ওয়াদি আল-হারিয়া এলাকায় পৌঁছালে সেখানে অবস্থানরত ইসরায়েলি সেনারা গুলি চালায়। স্বজনদের দাবি, পরিবারটি কোনো ধরনের হুমকি বা বিপজ্জনক কোনো ঘটনা ঘটায়নি। তবে, ইসরায়েলি আর্মি রেডিও জানিয়েছে, জীবন ঝুঁকি থাকায় এক সেনা সদস্য ফিলিস্তিনিদের একটি গাড়িটির দিকে দুটি গুলি ছোড়েন। আলা আবু হাইকালের ভাষ্যমতে, গুলিটি প্রথমে তার ভাইয়ের হাতে লাগে। এরপর সেটি ওয়িসামে
হেবরনে আত্মীয়দের বাড়ি থেকে ফেরার পথে একটি ফিলিস্তিনি পরিবারের গাড়িতে গুলি চালায় এক ইসরায়েলি সেনা। ওই সেনার এক গুলিতেই ফিলিস্তিনি পরিবারের তিন সদস্য আহত হন এবং সাত মাস বয়সী শিশু ওয়িসাম আবু হাইকাল নিহত হয়েছে।
জানা গেছে, বাবা-মা ও বড় ভাইবোনের সঙ্গে গাড়িতে যাত্রা করছিলেন ওয়িসাম। দক্ষিণ হেবরনের ওয়াদি আল-হারিয়া এলাকায় তাদের গাড়ির ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। এর ফলে পারিবারিক যাত্রা মুহূর্তেই পরিণত হয় এক মর্মান্তিক ঘটনায়।
ওয়িসামের চাচা আলা আবু হাইকাল কুদস নিউজ নেটওয়ার্ককে জানান, তার ভাই, ভাবি, সাত মাসের ওয়িসাম এবং ১১ বছর বয়সী আরেক সন্তান আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করে বাড়ি ফিরছিলেন। পরিবারের বর্ণনা অনুযায়ী, গাড়িটি ওয়াদি আল-হারিয়া এলাকায় পৌঁছালে সেখানে অবস্থানরত ইসরায়েলি সেনারা গুলি চালায়।
স্বজনদের দাবি, পরিবারটি কোনো ধরনের হুমকি বা বিপজ্জনক কোনো ঘটনা ঘটায়নি। তবে, ইসরায়েলি আর্মি রেডিও জানিয়েছে, জীবন ঝুঁকি থাকায় এক সেনা সদস্য ফিলিস্তিনিদের একটি গাড়িটির দিকে দুটি গুলি ছোড়েন।
আলা আবু হাইকালের ভাষ্যমতে, গুলিটি প্রথমে তার ভাইয়ের হাতে লাগে। এরপর সেটি ওয়িসামের মাথায় আঘাত করে এবং শেষে তার মায়ের মুখে গিয়ে বিদ্ধ হয়। গুলিতে শিশু ওয়িসাম মারা যায়। এ গুলির ঘটনায় শিশুটির বাবাও আহত হয়েছে। তবে, তার মা বেঁচে গেলেও এখনও চিকিৎসাধীন এবং আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন।
পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, চিকিৎসকরা তার মায়ের হৃৎপিণ্ডের কাছাকাছি আটকে থাকা একটি ধাতব খণ্ড আটকে রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে। অস্ত্রোপচারের ঝুঁকি বেশি হওয়ায় এখন পর্যন্ত সেটি অপসারণ করা হয়নি।
আবু হাইকাল পরিবার জানিয়েছে, এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। তাদের মতে, বিষয়টি শুধু সাত মাসের ওয়িসামের মৃত্যু নয় বরং ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তার প্রশ্নও এর সঙ্গে জড়িত।
সূত্র:প্যালেস্টাইন ক্রনিকলস
কেএম
What's Your Reaction?