ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নতুন সংঘাতময় পর্যায়ে

ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নতুন এক সংঘাতময় পর্যায়ে প্রবেশ করেছে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে দেশটির ইসরায়েলি হোম ফ্রন্ট কমান্ড-এর প্রকাশিত এক চিঠিতে। বুধবার রাতে প্রকাশিত ওই চিঠিতে পরোক্ষভাবে স্বীকার করা হয়েছে যে, দখলকৃত অঞ্চলে অভ্যন্তরীণ উত্তেজনা ও সংঘাত বাড়ছে। যদিও ইসরায়েলে যুদ্ধসংক্রান্ত বাস্তবতা নিয়ে কঠোর সেন্সরশিপ চালু রয়েছে, তবুও এই চিঠি পরিস্থিতির পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউরোপীয় গণমাধ্যম—যেমন বিবিসি—এর সাংবাদিকরাও ইসরায়েলের তথ্য গোপনের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। এর মধ্যেই হিব্রু ভাষার কিছু সূত্রে সম্প্রতি খবর আসে যে, দখলকৃত অঞ্চলের কিছু বাসিন্দা ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করেছে। তবে সামরিক সেন্সরশিপের কারণে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশে বাধা দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিরাপত্তা বাহিনী ব্যবস্থা নিলে কিছু বাসিন্দা সেনাবাহিনী, পুলিশসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের লক্ষ্যবস্তু করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শুরুতে চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হওয়ায় এখন প্রকাশ্য সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা ক

ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নতুন সংঘাতময় পর্যায়ে

ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নতুন এক সংঘাতময় পর্যায়ে প্রবেশ করেছে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে দেশটির ইসরায়েলি হোম ফ্রন্ট কমান্ড-এর প্রকাশিত এক চিঠিতে।

বুধবার রাতে প্রকাশিত ওই চিঠিতে পরোক্ষভাবে স্বীকার করা হয়েছে যে, দখলকৃত অঞ্চলে অভ্যন্তরীণ উত্তেজনা ও সংঘাত বাড়ছে। যদিও ইসরায়েলে যুদ্ধসংক্রান্ত বাস্তবতা নিয়ে কঠোর সেন্সরশিপ চালু রয়েছে, তবুও এই চিঠি পরিস্থিতির পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউরোপীয় গণমাধ্যম—যেমন বিবিসি—এর সাংবাদিকরাও ইসরায়েলের তথ্য গোপনের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। এর মধ্যেই হিব্রু ভাষার কিছু সূত্রে সম্প্রতি খবর আসে যে, দখলকৃত অঞ্চলের কিছু বাসিন্দা ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করেছে। তবে সামরিক সেন্সরশিপের কারণে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশে বাধা দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিরাপত্তা বাহিনী ব্যবস্থা নিলে কিছু বাসিন্দা সেনাবাহিনী, পুলিশসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের লক্ষ্যবস্তু করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শুরুতে চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হওয়ায় এখন প্রকাশ্য সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনি, কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ও বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের অভিযোগ তোলে তেহরান।

এর পর থেকে ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, যাতে ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে দখলকৃত অঞ্চলসহ বিভিন্ন স্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি অবস্থান লক্ষ্য করে পাল্টা অভিযান চালাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

 সূত্র- তাসনিম নিউজ। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow