ইসরায়েলের তীব্র সমালোচনা করলেন দ. কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট
মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ইসরায়েলের কঠোর সমালোচনা করেছেন দ. কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিউং। একটি ভাইরাল ভিডিও ঘিরে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুরু হওয়া বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে তার সাম্প্রতিক এ মন্তব্য।
তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি সাবাহ শনিবার (১১ এপ্রিল) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানায়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে মন্তব্য করেন প্রেসিডেন্ট লি। ভিডিওটির ক্যাপশনে দাবি করা হয়, ইসরায়েলি সেনারা ফিলিস্তিনি এক শিশুকে নির্যাতন করে ছাদ থেকে ফেলে দিচ্ছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) এক্সে করা এক পোস্টে লি বলেন, আমাকে যাচাই করতে হবে এটি সত্যি কি না। এরপর ইসরায়েলের দিকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে তিনি বলেন, যদি ভিডিওটি সত্যি হয়, তাহলে এ বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তার এ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায় ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শনিবার এক বিবৃতিতে জানায়, ঘটনাটি আগেই তদন্ত ও নিষ্পত্তি করা হয়েছে। তারা অভিযোগ করে, প্রেসিডেন্ট লি একটি পুরোনো ঘটনাকে বর্তমান হিসেবে তুলে ধরে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন। এছাড়া তিনি যে অ্যাকাউন্টের তথ্য ব্যবহার করেছেন
মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ইসরায়েলের কঠোর সমালোচনা করেছেন দ. কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিউং। একটি ভাইরাল ভিডিও ঘিরে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুরু হওয়া বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে তার সাম্প্রতিক এ মন্তব্য।
তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি সাবাহ শনিবার (১১ এপ্রিল) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানায়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে মন্তব্য করেন প্রেসিডেন্ট লি। ভিডিওটির ক্যাপশনে দাবি করা হয়, ইসরায়েলি সেনারা ফিলিস্তিনি এক শিশুকে নির্যাতন করে ছাদ থেকে ফেলে দিচ্ছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) এক্সে করা এক পোস্টে লি বলেন, আমাকে যাচাই করতে হবে এটি সত্যি কি না। এরপর ইসরায়েলের দিকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে তিনি বলেন, যদি ভিডিওটি সত্যি হয়, তাহলে এ বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তার এ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায় ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শনিবার এক বিবৃতিতে জানায়, ঘটনাটি আগেই তদন্ত ও নিষ্পত্তি করা হয়েছে। তারা অভিযোগ করে, প্রেসিডেন্ট লি একটি পুরোনো ঘটনাকে বর্তমান হিসেবে তুলে ধরে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন। এছাড়া তিনি যে অ্যাকাউন্টের তথ্য ব্যবহার করেছেন সেটি ভুয়া।
ধারণা করা হচ্ছে, ভিডিওটি দুই বছর আগে পশ্চিম তীরে এএফপিটিভির ক্যামেরায় ধরা পড়া একটি ঘটনার। সে সময় সাংবাদিকেরা দেখেছিলেন, একজন ইসরায়েলি সেনা পা দিয়ে এক মৃতপ্রায় প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিকে ছাদ থেকে নিচে ফেলে দিচ্ছেন।
এর জবাবে দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, প্রেসিডেন্ট লির মন্তব্য কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা নয়, বরং মানবাধিকারের পক্ষে একটি সাধারণ অবস্থান।
তবে সমালোচনার জবাবে লি আবারও বলেন, এটি হতাশাজনক যে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে বিশ্বজুড়ে যে উদ্বেগ রয়েছে, সে বিষয়ে আপনারা (ইসরায়েল) আত্মসমালোচনা করছেন না। তিনি আরও যোগ করেন, আমি যখন কষ্ট অনুভব করি, অন্যরাও সেই কষ্ট একইভাবে অনুভব করে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত দক্ষিণ কোরিয়া। তবে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে তাদের নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখতে দেখা গেছে। এমনকি কোনো পক্ষকে সরাসরি সমর্থনও দেয়নি তারা।