ইসরায়েলের দিকে যাচ্ছে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী
যুক্তরাষ্ট্রের সর্ববৃহৎ বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড ইসরায়েলের দিকে যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, খুব শিগগির এটি ইসরায়েলের জলসীমায় প্রবেশ করবে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) গ্রিস থেকে এটি ইসরায়েলের হাইফা বন্দরের দিকে রওনা দেয়। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, রণতরীটি পূর্ণ গতিতে এগোচ্ছে। গত মঙ্গলবার রণতরীটি গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের সুদা বে নৌঁঘাটিতে আসে। সেখান থেকে এখন ইসরায়েলের দিকে রওনা দিয়েছে এটি। রণতরীটিতে আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির পর ক্যারিবিয়ান অঞ্চল থেকে জেরাল্ড ফোর্ডকে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে আসার নির্দেশ দেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ডের আগে মধ্যপ্রাচ্যে আসে আরেক রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কন মধ্যপ্রাচ্যে এসে উপস্থিত হয়। এটির সঙ্গে আছে আরও অন্তত ডজন খানে যুদ্ধজাহাজ। এ রণতরীটি হুমকি হিসেবে দেখছে ইরান। এদিকে পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে তৃতীয় দফা পরোক্ষ আলোচনায় বসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তবে এ আলোচনার আগেই ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্
যুক্তরাষ্ট্রের সর্ববৃহৎ বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড ইসরায়েলের দিকে যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, খুব শিগগির এটি ইসরায়েলের জলসীমায় প্রবেশ করবে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) গ্রিস থেকে এটি ইসরায়েলের হাইফা বন্দরের দিকে রওনা দেয়। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, রণতরীটি পূর্ণ গতিতে এগোচ্ছে। গত মঙ্গলবার রণতরীটি গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের সুদা বে নৌঁঘাটিতে আসে। সেখান থেকে এখন ইসরায়েলের দিকে রওনা দিয়েছে এটি। রণতরীটিতে আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির পর ক্যারিবিয়ান অঞ্চল থেকে জেরাল্ড ফোর্ডকে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে আসার নির্দেশ দেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ডের আগে মধ্যপ্রাচ্যে আসে আরেক রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কন মধ্যপ্রাচ্যে এসে উপস্থিত হয়। এটির সঙ্গে আছে আরও অন্তত ডজন খানে যুদ্ধজাহাজ। এ রণতরীটি হুমকি হিসেবে দেখছে ইরান।
এদিকে পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে তৃতীয় দফা পরোক্ষ আলোচনায় বসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তবে এ আলোচনার আগেই ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা জেনেভায় নির্ধারিত পারমাণবিক আলোচনার আগে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুনরায় শুরু করার অভিযোগ তোলেন।
তিনি দাবি করেন, ইরান এমন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে যা ‘শিগগিরই’ যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে সক্ষম হবে। এছাড়া তিনি ইরানকে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা ও বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলার জন্য দায়ী করেন। ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, কোনো সমঝোতা না হলে ইরানের জন্য তা ‘খুব খারাপ দিন’ বয়ে আনবে। পাল্টা হিসেবে তেহরান জানিয়েছে, হামলা হলে তারা অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্যবস্তু করবে।
অন্যদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস সফরে সাংবাদিকদের বলেন, ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে। তারা এখন সমৃদ্ধকরণ (ইউরেনিয়াম এনরিচমেন্ট) করছে না, কিন্তু সেই পর্যায়ে পৌঁছানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের হাতে বিপুল সংখ্যক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, যা ইউরোপের অনেক অংশ পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম।
রুবিও বলেন, জেনেভা আলোচনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে আলোচনা না করার বিষয়ে তেহরানের অবস্থান বড় সমস্যা। তবে তিনি এটিকে কেবল আরও একটি আলোচনার সুযোগ উল্লেখ করে অগ্রগতির আশা প্রকাশ করেন।
What's Your Reaction?