ইসরায়েলে প্রাণঘাতী হান্টাভাইরাস শনাক্ত

ইসরায়েলে বিরল ও মরণঘাতী হান্টাভাইরাসে আক্রান্ত একজন রোগী শনাক্ত হয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আক্রান্ত ব্যক্তি কয়েক মাস আগে পূর্ব ইউরোপ সফরের সময় ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন। বৃহস্পতিবার (৭ মে) ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, হান্টাভাইরাসের উপসর্গ দেখা দেওয়ার পর ওই ব্যক্তি চিকিৎসা নেন। প্রথমে অ্যান্টিবডি পরীক্ষায় ভাইরাসে সংক্রমণের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। পরে পিসিআর পরীক্ষায় ভাইরাসটির উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রোগীর শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। তাকে নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে নেওয়ার প্রয়োজন হয়নি এবং কঠোর আইসোলেশনেও রাখা হয়নি। তবে তিনি চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে আছেন। ইতোমধ্যে ঘটনাটি ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে। ইসরায়েলে হান্টাভাইরাসের সংক্রমণ এটিই প্রথম ঘটনা নয়। প্রায় এক দশক আগে দক্ষিণ আমেরিকা সফর শেষে কয়েকজন ইসরায়েলির শরীরে এই ভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া গিয়েছিল। তবে এবার আক্রান্ত ব্যক্তি ইউরোপীয় ধরনের হান্টাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এটি দক্ষিণ আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়া অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ‘অ্যান্ডিজ’ ধরনের ভাইরাস থেকে ভ

ইসরায়েলে প্রাণঘাতী হান্টাভাইরাস শনাক্ত
ইসরায়েলে বিরল ও মরণঘাতী হান্টাভাইরাসে আক্রান্ত একজন রোগী শনাক্ত হয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আক্রান্ত ব্যক্তি কয়েক মাস আগে পূর্ব ইউরোপ সফরের সময় ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন। বৃহস্পতিবার (৭ মে) ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, হান্টাভাইরাসের উপসর্গ দেখা দেওয়ার পর ওই ব্যক্তি চিকিৎসা নেন। প্রথমে অ্যান্টিবডি পরীক্ষায় ভাইরাসে সংক্রমণের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। পরে পিসিআর পরীক্ষায় ভাইরাসটির উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রোগীর শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। তাকে নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে নেওয়ার প্রয়োজন হয়নি এবং কঠোর আইসোলেশনেও রাখা হয়নি। তবে তিনি চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে আছেন। ইতোমধ্যে ঘটনাটি ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে। ইসরায়েলে হান্টাভাইরাসের সংক্রমণ এটিই প্রথম ঘটনা নয়। প্রায় এক দশক আগে দক্ষিণ আমেরিকা সফর শেষে কয়েকজন ইসরায়েলির শরীরে এই ভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া গিয়েছিল। তবে এবার আক্রান্ত ব্যক্তি ইউরোপীয় ধরনের হান্টাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এটি দক্ষিণ আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়া অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ‘অ্যান্ডিজ’ ধরনের ভাইরাস থেকে ভিন্ন।  বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রসহ (সিডিসি) বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সম্ভাব্য সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণ মানুষের জন্য এখনই বড় ধরনের ঝুঁকির আশঙ্কা কম। হান্টাভাইরাস কী? হান্টাভাইরাস মূলত ইঁদুরজাতীয় প্রাণীর মাধ্যমে মানুষের শরীরে ছড়ায়। আক্রান্ত প্রাণীর মূত্র, লালা বা বিষ্ঠা থেকে বাতাসে ছড়িয়ে পড়া কণার সংস্পর্শে এলে মানুষ সংক্রমিত হতে পারে। শুরুতে সাধারণ ভাইরাসজনিত জ্বরের মতো উপসর্গ দেখা দিলেও কিছু ক্ষেত্রে এটি মারাত্মক শ্বাসকষ্ট বা কিডনি জটিলতায় রূপ নিতে পারে। বর্তমানে হান্টাভাইরাসের নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই। তাই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা ও দ্রুত শনাক্তকরণকেই সবচেয়ে কার্যকর উপায় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow