ইসরায়েল ও মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ব্যাপক সামরিক হামলা

ইরান দাবি করেছে, শুক্রবার ভোর ১টা ২০ মিনিটে অধিকৃত ফিলিস্তিন ও অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে তারা ব্যাপক সামরিক অভিযান চালিয়েছে। উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে পরিচালিত এই হামলাকে “সম্পূর্ণ সফল” বলে জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানায়, “ট্রু প্রমিজ ৪” অভিযানের ৬৬তম ধাপ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়। শহীদ প্রতিরোধ নেতাদের স্মরণে, বিশেষ করে কাসেম সোলাইমানি ও আবু মাহদি আল-মুহান্দিসের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে “ইয়া জাহরা (আ.)” কোডনেম ব্যবহার করা হয়। আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, এই অভিযানে তেল আবিবসহ অধিকৃত অঞ্চলের কেন্দ্রীয় ও দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে। পাশাপাশি অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক অবস্থানগুলোও লক্ষ্য করা হয়। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, হামলায় কঠিন ও তরল জ্বালানিভিত্তিক বিভিন্ন ধরনের উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এর মধ্যে ঘাদর, খোররামশাহর, খেইবার শেকান, কিয়াম ও জুলফাগার ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি আক্রমণাত্মক ড্রোনও ব্যবহৃত হয়েছে। আইআরজিসি দাবি করে, এই ধারাবাহিক হামলার ফলে ইসরায়েলের যুদ্ধ

ইসরায়েল ও মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ব্যাপক সামরিক হামলা

ইরান দাবি করেছে, শুক্রবার ভোর ১টা ২০ মিনিটে অধিকৃত ফিলিস্তিন ও অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে তারা ব্যাপক সামরিক অভিযান চালিয়েছে। উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে পরিচালিত এই হামলাকে “সম্পূর্ণ সফল” বলে জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী।

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানায়, “ট্রু প্রমিজ ৪” অভিযানের ৬৬তম ধাপ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়। শহীদ প্রতিরোধ নেতাদের স্মরণে, বিশেষ করে কাসেম সোলাইমানি ও আবু মাহদি আল-মুহান্দিসের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে “ইয়া জাহরা (আ.)” কোডনেম ব্যবহার করা হয়।

আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, এই অভিযানে তেল আবিবসহ অধিকৃত অঞ্চলের কেন্দ্রীয় ও দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে। পাশাপাশি অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক অবস্থানগুলোও লক্ষ্য করা হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, হামলায় কঠিন ও তরল জ্বালানিভিত্তিক বিভিন্ন ধরনের উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এর মধ্যে ঘাদর, খোররামশাহর, খেইবার শেকান, কিয়াম ও জুলফাগার ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি আক্রমণাত্মক ড্রোনও ব্যবহৃত হয়েছে।

আইআরজিসি দাবি করে, এই ধারাবাহিক হামলার ফলে ইসরায়েলের যুদ্ধ মন্ত্রিসভা ও তাদের পশ্চিমা মিত্রদের দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। দেশটির বিভিন্ন এলাকায় ক্রমাগত সাইরেন বেজে চলা এবং দীর্ঘ সময় ধরে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করা এখন সাধারণ মানুষের জীবনের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

বিবৃতির শেষে ইসরায়েলকে “অপরাধী শাসন” হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলা হয়, তারা অভ্যন্তরীণ সংকট ও পূর্ববর্তী ব্যর্থতা আড়াল করতে ইরানের বিরুদ্ধে “অন্যায় যুদ্ধ” শুরু করেছে, যার ফল ভোগ করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow