ইসলামি প্রজাতন্ত্র দিবসে নতুন বার্তা দিলেন মোজতবা খামেনি
ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র দিবস এবং জাতীয় প্রকৃতি দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলা এবং দেশের সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সর্বস্তরের জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা প্রয়োজন। বুধবার (১ এপ্রিল) জাতির উদ্দেশ্যে তিনি এ আহ্বান জানান। খবর প্রেস টিভির। বার্তায় মোজতবা খামেনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক আগ্রাসন দেশের জনগণের পাশাপাশি ভূমি এবং প্রাকৃতিক পরিবেশকেও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তিনি বলেন, যখন নিকৃষ্ট ও নির্মম আমেরিকান-জায়নিস্ট শত্রুরা মানবিক, নৈতিক বা অস্তিত্বগত কোনো সীমা মানছে না এবং আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির প্রাকৃতিক পরিবেশেও ক্ষতিসাধন করেছে, তখন দেশের উন্নয়ন ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার প্রতিটি প্রচেষ্টাই প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ। মোজতবা খামেনি ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মিনাবের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে আগ্রাসনকারীদের হামলার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। ওই হামলায় ১৮৬ শিক্ষার্থী নিহত হন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, শিশুহত্যাকারী, দানবীয় মার্কিন ও জায়নবাদী শয়তানরা স্কুলের কচি চারাগাছগুলোকে নৃশংসভাবে শ
ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র দিবস এবং জাতীয় প্রকৃতি দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলা এবং দেশের সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সর্বস্তরের জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা প্রয়োজন। বুধবার (১ এপ্রিল) জাতির উদ্দেশ্যে তিনি এ আহ্বান জানান। খবর প্রেস টিভির।
বার্তায় মোজতবা খামেনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক আগ্রাসন দেশের জনগণের পাশাপাশি ভূমি এবং প্রাকৃতিক পরিবেশকেও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তিনি বলেন, যখন নিকৃষ্ট ও নির্মম আমেরিকান-জায়নিস্ট শত্রুরা মানবিক, নৈতিক বা অস্তিত্বগত কোনো সীমা মানছে না এবং আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির প্রাকৃতিক পরিবেশেও ক্ষতিসাধন করেছে, তখন দেশের উন্নয়ন ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার প্রতিটি প্রচেষ্টাই প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ।
মোজতবা খামেনি ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মিনাবের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে আগ্রাসনকারীদের হামলার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। ওই হামলায় ১৮৬ শিক্ষার্থী নিহত হন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, শিশুহত্যাকারী, দানবীয় মার্কিন ও জায়নবাদী শয়তানরা স্কুলের কচি চারাগাছগুলোকে নৃশংসভাবে শহিদ করেছে।
তিনি আরও বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্মৃতিসৌধ হিসেবে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হবে, বিশেষ করে তৃতীয় আরোপিত যুদ্ধের শহিদদের জন্য। এই গাছগুলো শক্তিশালী ও ফলদায়ী হয়ে দেশ ও জনগণের পুনর্গঠন ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রতীক হবে বলে আশা প্রকাশ করেন ইরানের বর্তমান এই সর্বোচ্চ নেতা।
ইরানে প্রতি বছর ১ এপ্রিল ইসলামিক প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়। ১৯৭৯ সালের গণভোটের মাধ্যমে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত পাহলভি রাজতন্ত্রের অবসানের স্মরণে দিনটি পালন করা হয়। একই সময়ে এটি ন্যাশনাল নেচার ডে বা জাতীয় প্রকৃতি দিবস হিসেবেও পালিত হয়, যা পারস্য নববর্ষ নওরোজের ১৩ দিনের ছুটির সমাপ্তি নির্দেশ করে।
What's Your Reaction?