ইসলামী আন্দোলনকে ভাঙার চেষ্টা হয়েছিল: আতাউর রহমান

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে ধ্বংস করার জন্য একটি গোষ্ঠী কাজ করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মাওলানা আতাউর রহমান। তিনি বলেন, এই গোষ্ঠী নির্বাচন কেন্দ্র করে দলকে দ্বিধা-বিভক্ত করে ভাঙনের চেষ্টা করেছিল। আল্লাহর রহমতে ইসলামী আন্দোলন আগের চেয়ে শক্তিশালী গতিতে কাজ করে যাচ্ছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের মজলিসে শুরা অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূমের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মো. আব্দুল আউয়াল মজুমদার ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা কেএম শরীয়াতুল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত শুরা অধিবেশনে বিশেষ অতিথি ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হান্নান আল হাদী, আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন, আলহাজ্ব এম এইচ মোস্তফা, আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন, মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, অধ্যাপক ফজলুল হক মৃধা, মাওলানা নাযির আহমদ শিবলী, হাফেজ শাহাদাত হোসেন প্রধানিয়া। আরও পড়ুন গণরায়ে শ্রদ্ধা না থাকলে বিএনপির পরিণতি আ’লীগের মতো হবে: গাজী আতাউর

ইসলামী আন্দোলনকে ভাঙার চেষ্টা হয়েছিল: আতাউর রহমান

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে ধ্বংস করার জন্য একটি গোষ্ঠী কাজ করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মাওলানা আতাউর রহমান। তিনি বলেন, এই গোষ্ঠী নির্বাচন কেন্দ্র করে দলকে দ্বিধা-বিভক্ত করে ভাঙনের চেষ্টা করেছিল। আল্লাহর রহমতে ইসলামী আন্দোলন আগের চেয়ে শক্তিশালী গতিতে কাজ করে যাচ্ছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের মজলিসে শুরা অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূমের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মো. আব্দুল আউয়াল মজুমদার ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা কেএম শরীয়াতুল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত শুরা অধিবেশনে বিশেষ অতিথি ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হান্নান আল হাদী, আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন, আলহাজ্ব এম এইচ মোস্তফা, আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন, মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, অধ্যাপক ফজলুল হক মৃধা, মাওলানা নাযির আহমদ শিবলী, হাফেজ শাহাদাত হোসেন প্রধানিয়া।

মাওলানা আতাউর রহমান বলেন, নৈতিক ও আদর্শিক পরিবর্তন ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয় তা আবারো ফুটে উঠেছে। ইসলাম নিজেদের যোগ্যতা, অর্থ ও জনবলের মাধ্যমে কোথাও প্রতিষ্ঠা হয়নি, বরং আল্লাহর রহমতেই হয়েছে।

তিনি বলেন, নিজকে যোগ্য, দক্ষ করে গড়ে তোলার পাশাপাশি নৈতিক ও আদর্শিকভাবেও গড়ে তুলতে হবে। আল্লাহর সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে আল্লাহর রহমত প্রাপ্ত হতে হবে।

তিনি বলেন, ইসলাম পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা হওয়া সত্ত্বেও আমরা ইসলামকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় প্রতিষ্ঠিত করতে না পারার পেছনে ইখলাস ও তাক্ওয়ার ঘাটতি রয়েছে। শুধু আর্থিক ও শারীরিক শক্তি অর্জন করলেই হবে না, বরং পরিপূর্ণ ইখলাস ও তাক্ওয়া অর্জন করতে পারলেই দ্বীনের বিজয় সম্ভব।

এমইউ/এমআইএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow