ইসলাম ও ইসলামি নেতৃত্বকে নিশ্চিহ্ন করার নীলনকশার অংশ ছিল শাপলা গণহত্যা

ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম বলেছেন, ফ্যাসিবাদী সরকার ইসলাম ও ইসলামী নেতাদের নিশ্চিহ্ন করার নীলনকশার অংশ হিসেবে শাপলা চত্বরে গণহত্যা চালিয়েছিল। ২০২৪ এর ছাত্র-জনতার বিপ্লব সেই ফ্যাসিবাদকে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর মতিঝিলে ২০১৩ সালের ৫ মে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার সংঘটিত গণহত্যার বিচারের দাবিতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখা ছাত্রশিবির আয়োজিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি অবিলম্বে এই গণহত্যার শ্বেতপত্র প্রকাশ এবং অপরাধীদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের আওতায় আনার জোর দাবি জানান। নূরুল ইসলাম আরও বলেন, শাপলা চত্বরের সেই নৃশংস ঘটনার পর থেকে আলেম-ওলামাদের অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করে অন্ধকার কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়েছিল। রিমান্ডের নামে আলেমদের ওপর যে অমানবিক ও অবর্ণনীয় নির্যাতন চালানো হয়েছে, তা ইতিহাসের এক কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, শুধুমাত্র শাপলা চত্বরেই নয় বরং এই আন্দোলন দমনের উদ্দেশ্যে তৎকালীন সরকার নারায়ণগঞ্জ, বাগেরহাট ও হাটহাজারীতে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে আরও ৩৪ জন নিরীহ মানুষকে রাজপথে হত্যা করেছে। আলেম-ওলামাদের কণ্ঠরোধ

ইসলাম ও ইসলামি নেতৃত্বকে নিশ্চিহ্ন করার নীলনকশার অংশ ছিল শাপলা গণহত্যা

ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম বলেছেন, ফ্যাসিবাদী সরকার ইসলাম ও ইসলামী নেতাদের নিশ্চিহ্ন করার নীলনকশার অংশ হিসেবে শাপলা চত্বরে গণহত্যা চালিয়েছিল। ২০২৪ এর ছাত্র-জনতার বিপ্লব সেই ফ্যাসিবাদকে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর মতিঝিলে ২০১৩ সালের ৫ মে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার সংঘটিত গণহত্যার বিচারের দাবিতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখা ছাত্রশিবির আয়োজিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি অবিলম্বে এই গণহত্যার শ্বেতপত্র প্রকাশ এবং অপরাধীদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

নূরুল ইসলাম আরও বলেন, শাপলা চত্বরের সেই নৃশংস ঘটনার পর থেকে আলেম-ওলামাদের অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করে অন্ধকার কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়েছিল। রিমান্ডের নামে আলেমদের ওপর যে অমানবিক ও অবর্ণনীয় নির্যাতন চালানো হয়েছে, তা ইতিহাসের এক কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে।

তিনি বলেন, শুধুমাত্র শাপলা চত্বরেই নয় বরং এই আন্দোলন দমনের উদ্দেশ্যে তৎকালীন সরকার নারায়ণগঞ্জ, বাগেরহাট ও হাটহাজারীতে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে আরও ৩৪ জন নিরীহ মানুষকে রাজপথে হত্যা করেছে। আলেম-ওলামাদের কণ্ঠরোধ করতে ১ লাখ ৮৮ হাজার মানুষকে আসামি করে অসংখ্য হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করা হয়েছিল, যার ফলে অনেককে দীর্ঘ ৫ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত বিনাদোষে জেল খাটতে হয়েছে।

তিনি বর্তমান সরকারের কাছে শাপলা চত্বরের ঘটনার শ্বেতপত্র প্রকাশ এবং প্রকৃত মরদেহের সংখ্যা জাতির সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে যথাযথ আর্থিক ক্ষতিপূরণ এবং এই গণহত্যার পরিকল্পনাকারী ও বাস্তবায়নকারী প্রত্যেকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

আরএএস/এমআইএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow