ইহরাম অবস্থায় কী ধরনের জুতা পরিধান করতে হবে?

প্রশ্ন: ইহরাম অবস্থায় পুরুষ ও নারীদের কী ধরনের জুতা পরিধান করতে হবে? পায়ের কোন অংশটি খোলা রাখতে হয়? উত্তর: ইহরাম অবস্থায় পুরুষের জন্য পায়ের পাতার ওপরের অংশের উঁচু হাড় ঢেকে যায় এমন জুতা পরিধান করা নিষিদ্ধ। এমন জুতা বা স্যান্ডেল পরিধান করতে হবে যা পরলে ওই উঁচু অংশ খোলা থাকে। ইহরাম অবস্থায় পুরুষের জন্য মোজা পরিধান করাও নিষিদ্ধ। নারীরা ইহরাম অবস্থায় যেকোনো ধরনের জুতা বা স্যান্ডেল পরিধান করতে পারবেন। প্রয়োজনে পা মোজাও পরতে পারবেন। হজ ও ওমরার গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ ইহরাম। নির্দিষ্ট স্থান থেকে হজ ও ওমরার নিয়তে নির্ধারিত নিয়মে ইহরাম বাঁধতে হয়। ইহরাম পরিধানের পর পুরুষের জন্য পুরো পা ঢাকা জুতো, সেলাইকৃত পোশাক, নারীর জন্য চেহারা ঢাকা নেকাব, হাত মোজা পরিধানসহ বৈধ অনেক পোশাক হারাম হয়ে যায়। সালেম (রহ.) তার বাবা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মুহরিম ব্যাক্তি (পুরুষ) জামা, পাগড়ি, টুপি, পায়জামা, জাফরান বা ওয়ার্‌স দ্বারা রঞ্জিত কাপড় এবং মোজা পরিধান করবে না। কিন্তু চপ্পল না পেলে সে টাখনুর নীচ থেকে মোজা কেটে তা পরিধান করতে পারবে। (সহিহ মুসলিম: ২৬৬৩) ইহরাম অবস্থায় পুরুষে

ইহরাম অবস্থায় কী ধরনের জুতা পরিধান করতে হবে?

প্রশ্ন: ইহরাম অবস্থায় পুরুষ ও নারীদের কী ধরনের জুতা পরিধান করতে হবে? পায়ের কোন অংশটি খোলা রাখতে হয়?

উত্তর: ইহরাম অবস্থায় পুরুষের জন্য পায়ের পাতার ওপরের অংশের উঁচু হাড় ঢেকে যায় এমন জুতা পরিধান করা নিষিদ্ধ। এমন জুতা বা স্যান্ডেল পরিধান করতে হবে যা পরলে ওই উঁচু অংশ খোলা থাকে। ইহরাম অবস্থায় পুরুষের জন্য মোজা পরিধান করাও নিষিদ্ধ।

নারীরা ইহরাম অবস্থায় যেকোনো ধরনের জুতা বা স্যান্ডেল পরিধান করতে পারবেন। প্রয়োজনে পা মোজাও পরতে পারবেন।

হজ ও ওমরার গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ ইহরাম। নির্দিষ্ট স্থান থেকে হজ ও ওমরার নিয়তে নির্ধারিত নিয়মে ইহরাম বাঁধতে হয়। ইহরাম পরিধানের পর পুরুষের জন্য পুরো পা ঢাকা জুতো, সেলাইকৃত পোশাক, নারীর জন্য চেহারা ঢাকা নেকাব, হাত মোজা পরিধানসহ বৈধ অনেক পোশাক হারাম হয়ে যায়।

সালেম (রহ.) তার বাবা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মুহরিম ব্যাক্তি (পুরুষ) জামা, পাগড়ি, টুপি, পায়জামা, জাফরান বা ওয়ার্‌স দ্বারা রঞ্জিত কাপড় এবং মোজা পরিধান করবে না। কিন্তু চপ্পল না পেলে সে টাখনুর নীচ থেকে মোজা কেটে তা পরিধান করতে পারবে। (সহিহ মুসলিম: ২৬৬৩)

ইহরাম অবস্থায় পুরুষের জন্য সেলাইকৃত সব ধরনের পোশাক পরিধান করা নিষিদ্ধ যেমন পাঞ্জাবি, জুব্বা, ফতুয়া, শার্ট, পায়জামা, প্যান্ট, গেঞ্জি, কোট, সুয়েটার, জাহিঙ্গা, হাতমোজা, টুপি, পাগড়ি ইত্যাদি। ইহরামের কাপড় ছিড়ে গেলে তা সেলাই করা বা জোড়া দেওয়া যাবে, রিফু করা বা তালি লাগানো যাবে। তবে ইহরামের কাপড়ে এ রকম সেলাইও না থাকা উত্তম। ইহরাম অবস্থায় পুরুষের জন্য মাথা ও চেহারা ঢাকা নিষিদ্ধ।

নারীদের জন্য ইহরাম অবস্থায় সেলাইকৃত পোশাক পরিধান করা নিষিদ্ধ নয়। মাথা ঢেকে রাখাও নিষিদ্ধ নয়। পা ঢেকে রাখাও নিষিদ্ধ নয় যেমন ওপরে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ইহরাম অবস্থায় নারীদের চেহারা ঢাকা ও হাত মোজা পরা নিষিদ্ধ।

আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মুহরিম নারী নেকাব পরবে না, হাত মোজাও পরবে না। (সহিহ বুখারি: ৫৮০৩)

ওএফএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow