ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা

জামালপুরের মেলান্দহে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাসহ তিন মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। গত সোমবার (৮ জুন) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করে পুলিশ। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন— মো. মোস্তফা (৫০), ৮ নং ফুলকোচা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. জাহাঙ্গীর আলম (৫২) এবং মো. মিনহাজ উদ্দিন (৪১)। জানা গেছে, মেলান্দহ উপজেলার ৭নং চরবানিপাকুরিয়া ইউনিয়নের ভাবকী সিঙ্গের কান্দা এলাকা থেকে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে একজন ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা হওয়ায় স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা অভিযুক্ত নেতার দ্রুত বহিষ্কার দাবি করেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এদিকে, অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর আলমের রাজনৈতিক পরিচয় সামনে আসার পর স্থানীয় নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন

ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা
জামালপুরের মেলান্দহে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাসহ তিন মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। গত সোমবার (৮ জুন) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করে পুলিশ। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন— মো. মোস্তফা (৫০), ৮ নং ফুলকোচা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. জাহাঙ্গীর আলম (৫২) এবং মো. মিনহাজ উদ্দিন (৪১)। জানা গেছে, মেলান্দহ উপজেলার ৭নং চরবানিপাকুরিয়া ইউনিয়নের ভাবকী সিঙ্গের কান্দা এলাকা থেকে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে একজন ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা হওয়ায় স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা অভিযুক্ত নেতার দ্রুত বহিষ্কার দাবি করেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এদিকে, অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর আলমের রাজনৈতিক পরিচয় সামনে আসার পর স্থানীয় নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের বক্তব্য, মাদকের সঙ্গে জড়িত কোনো ব্যক্তি দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে না। তাই অভিযোগের সত্যতা বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন। জামালপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদকের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠিন আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow