ঈদুল ফিতরে সরকারি ছুটি পাচ্ছেন কারা?

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগামী ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ছুটি নির্ধারণ করা আছে। তবে এ ছুটির সময় আরও বাড়ানোর চিন্তা করছে সরকার। এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না এলেও মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে জানা গেছে। সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২১ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর হতে পারে। সে হিসেবে ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের দিন সাধারণ ছুটি। এছাড়া ঈদের আগে ও ২০ মার্চ এবং ঈদের পর ২২ ও ২৩ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারণ করা আছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র বলছে, জনগণের সুবিধার কথা বিবেচনা করে এ ছুটি বাড়তে পারে। এ সিদ্ধান্ত হবে মন্ত্রিসভার বৈঠকে। তাই এখনই চূড়ান্ত কিছু বলা যাচ্ছে না। ছুটির সময়সীমা নির্ধারণ হলেও কারা পেয়ে থাকেন বাংলাদেশে সরকারি ছুটি, এ নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। মূলত সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পেয়ে থাকেন সরকারি ছুটি। এছাড়া ব্যাংক-বীমা এবং অধিকাংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও এই ছুটি অনুসরণ করে।  বাংলাদেশে সরকারি ছুটির বিষয়টি প্রধানত দুটি আইনি কাঠামো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। সরকারি চাকরি আইন-২০১৮ অনু

ঈদুল ফিতরে সরকারি ছুটি পাচ্ছেন কারা?
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগামী ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ছুটি নির্ধারণ করা আছে। তবে এ ছুটির সময় আরও বাড়ানোর চিন্তা করছে সরকার। এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না এলেও মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে জানা গেছে। সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২১ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর হতে পারে। সে হিসেবে ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের দিন সাধারণ ছুটি। এছাড়া ঈদের আগে ও ২০ মার্চ এবং ঈদের পর ২২ ও ২৩ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারণ করা আছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র বলছে, জনগণের সুবিধার কথা বিবেচনা করে এ ছুটি বাড়তে পারে। এ সিদ্ধান্ত হবে মন্ত্রিসভার বৈঠকে। তাই এখনই চূড়ান্ত কিছু বলা যাচ্ছে না। ছুটির সময়সীমা নির্ধারণ হলেও কারা পেয়ে থাকেন বাংলাদেশে সরকারি ছুটি, এ নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। মূলত সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পেয়ে থাকেন সরকারি ছুটি। এছাড়া ব্যাংক-বীমা এবং অধিকাংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও এই ছুটি অনুসরণ করে।  বাংলাদেশে সরকারি ছুটির বিষয়টি প্রধানত দুটি আইনি কাঠামো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। সরকারি চাকরি আইন-২০১৮ অনুযায়ী সরকারি কর্মচারীরা প্রযোজ্য বিধি ও সরকারি আদেশ অনুসারে ছুটি পেয়ে থাকেন। নির্ধারিত ছুটি বিধিমালা-১৯৫৯ অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের ছুটির (অর্জিত ছুটি, অসাধারণ ছুটি ইত্যাদি) বিধান নির্দিষ্ট করা আছে। সাধারণ ছুটি সরকারি গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বছরের শুরুতেই ঘোষণা করা হয় এবং এটি সকল অফিস, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। এছাড়া নির্বাহী আদেশে ছুটি মূলত নির্দিষ্ট শ্রেণির (সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা) কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য হয়, এটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য সরাসরি প্রযোজ্য নয়। তবে ব্যাংক, রেলওয়ে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও হাসপাতালের মতো অত্যাবশ্যক চাকরিগুলো জনস্বার্থ বিবেচনায় তাদের নিজস্ব আইন অনুযায়ী ছুটির সময়সূচি নিয়ন্ত্রণ করে। অপরদিকে বেসরকারি চাকরিজীবীরা সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির বাইরে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিয়ম অনুযায়ী বাকি ছুটি পেয়ে থাকেন। সরকারি বিধিমালার অন্য কোনো ছুটি তাদের জন্য সরাসরি প্রযোজ্য হয় না।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow