ঈদের আগের দিন ফাঁকা মহাসড়ক, যাত্রীর অপেক্ষায় বাস
ঈদুল ফিতরের আগের দিন গাজীপুরের প্রধান মহাসড়কগুলোতে যান চলাচল ছিল স্বাভাবিক। তবে যাত্রী সংকটে অনেক বাসকে নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে যেতে দেখা যায়নি। গত কয়েকদিনের ঘরমুখো মানুষের চাপ কমে শুক্রবার সকাল থেকেই ঢাকা–ময়মনসিংহ ও ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কে ভিড় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ৭টার দিকে চান্দনা চৌরাস্তা ও ভোগড়া পেয়ারা বাগান এলাকায় বেশ কিছু বাস ও অন্যান্য যানবাহনকে যাত্রীর অপেক্ষায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। সাধারণত ব্যস্ততম এলাকা হিসেবে পরিচিত চন্দ্রা ত্রিমোড়েও এদিন তেমন ভিড় লক্ষ্য করা যায়নি। চান্দনা-চৌরাস্তা এলাকায় সড়কের পাশে গাড়ি পার্কিং এবং যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামার কারণে কিছু সময় যান চলাচল ধীরগতির হলেও সকাল ৯টার পর পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে আসে। ভোগড়া এলাকায় একটি পরিবহন কাউন্টারের কর্মকর্তা জানান, গত কয়েকদিন ঈদ উপলক্ষে যাত্রীদের প্রচণ্ড চাপ ছিল, কিন্তু শুক্রবার সকাল থেকে যাত্রীসংখ্যা অনেক কমে গেছে। যাত্রী কম থাকায় অনেক বাস নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরিতে ছেড়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে। নাওজোর হাইওয়ে পুলিশের পরিদর্শক সওগাতুল আলম জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই ঢাকা–টা
ঈদুল ফিতরের আগের দিন গাজীপুরের প্রধান মহাসড়কগুলোতে যান চলাচল ছিল স্বাভাবিক। তবে যাত্রী সংকটে অনেক বাসকে নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে যেতে দেখা যায়নি। গত কয়েকদিনের ঘরমুখো মানুষের চাপ কমে শুক্রবার সকাল থেকেই ঢাকা–ময়মনসিংহ ও ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কে ভিড় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।
শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ৭টার দিকে চান্দনা চৌরাস্তা ও ভোগড়া পেয়ারা বাগান এলাকায় বেশ কিছু বাস ও অন্যান্য যানবাহনকে যাত্রীর অপেক্ষায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। সাধারণত ব্যস্ততম এলাকা হিসেবে পরিচিত চন্দ্রা ত্রিমোড়েও এদিন তেমন ভিড় লক্ষ্য করা যায়নি।
চান্দনা-চৌরাস্তা এলাকায় সড়কের পাশে গাড়ি পার্কিং এবং যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামার কারণে কিছু সময় যান চলাচল ধীরগতির হলেও সকাল ৯টার পর পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে আসে।
ভোগড়া এলাকায় একটি পরিবহন কাউন্টারের কর্মকর্তা জানান, গত কয়েকদিন ঈদ উপলক্ষে যাত্রীদের প্রচণ্ড চাপ ছিল, কিন্তু শুক্রবার সকাল থেকে যাত্রীসংখ্যা অনেক কমে গেছে। যাত্রী কম থাকায় অনেক বাস নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরিতে ছেড়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে।
নাওজোর হাইওয়ে পুলিশের পরিদর্শক সওগাতুল আলম জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা ত্রিমোড় ও আশপাশের এলাকায় যানজট কমতে শুরু করে এবং শুক্রবার সকাল থেকে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
অন্যদিকে মাওনা হাইওয়ে পুলিশের পরিদর্শক কামরুজ্জামান জানান, বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত ঘরমুখো মানুষের চাপ থাকলেও এরপর থেকে ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।
রংপুরগামী এক যাত্রী জানান, পরিবারের অন্য সদস্যরা আগেই গ্রামের বাড়িতে চলে গেছেন। ব্যক্তিগত কারণে তিনি দেরিতে রওনা দিয়েছেন। যানজট না থাকায় দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
গাজীপুর মহানগর পুলিশের (ট্রাফিক) বিভাগের এডিসি অমৃত সূত্রধর এক কর্মকর্তা বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকেই দুই মহাসড়কেই যানবাহনের চাপ স্বাভাবিকের চেয়ে কম ছিল এবং শুক্রবার সকালে যাত্রীরা নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পেরেছেন।
What's Your Reaction?