ঈদের আগে দফায় দফায় কমছে স্বর্ণের দাম
আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন দেখা গেছে। শক্তিশালী ডলার ও মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর অবস্থানের কারণে বৃহস্পতিবার স্বর্ণের দাম এক মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমেছে। এর আগে বুধবারও কয়েক দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে। ঈদের আগে বাজারের এ পরিস্থিতিতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, দাম আরও কমতে পারে। খবর রয়টার্সের।
স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১.১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৪,৭৬৪.২৭ ডলারে, যা ৬ ফেব্রুয়ারির পর সর্বনিম্ন। একই সময়ে এপ্রিল ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণ ফিউচার্সের দাম ২.৬ শতাংশ কমে ৪,৭৭০ ডলারে নেমেছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, শক্তিশালী মার্কিন ডলার স্বর্ণের ওপর বড় চাপ তৈরি করছে। সাধারণত ডলার শক্তিশালী হলে অন্যান্য মুদ্রাধারীদের জন্য স্বর্ণ কেনা ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে, ফলে চাহিদা কমে যায়।
এছাড়া ফেডারেল রিজার্ভের কড়া মুদ্রানীতির ইঙ্গিতও বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা কমিয়ে দিয়েছে। এতে নিকট ভবিষ্যতে সুদের হার কমার সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়েছে, যা স্বর্ণের মতো সুদবিহীন সম্পদের জন্য নেতিবাচক।
উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর থেকে এখ
আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন দেখা গেছে। শক্তিশালী ডলার ও মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর অবস্থানের কারণে বৃহস্পতিবার স্বর্ণের দাম এক মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমেছে। এর আগে বুধবারও কয়েক দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে। ঈদের আগে বাজারের এ পরিস্থিতিতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, দাম আরও কমতে পারে। খবর রয়টার্সের।
স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১.১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৪,৭৬৪.২৭ ডলারে, যা ৬ ফেব্রুয়ারির পর সর্বনিম্ন। একই সময়ে এপ্রিল ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণ ফিউচার্সের দাম ২.৬ শতাংশ কমে ৪,৭৭০ ডলারে নেমেছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, শক্তিশালী মার্কিন ডলার স্বর্ণের ওপর বড় চাপ তৈরি করছে। সাধারণত ডলার শক্তিশালী হলে অন্যান্য মুদ্রাধারীদের জন্য স্বর্ণ কেনা ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে, ফলে চাহিদা কমে যায়।
এছাড়া ফেডারেল রিজার্ভের কড়া মুদ্রানীতির ইঙ্গিতও বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা কমিয়ে দিয়েছে। এতে নিকট ভবিষ্যতে সুদের হার কমার সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়েছে, যা স্বর্ণের মতো সুদবিহীন সম্পদের জন্য নেতিবাচক।
উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর থেকে এখন পর্যন্ত স্বর্ণের দাম ৯ শতাংশের বেশি কমেছে। যদিও সাধারণত বৈশ্বিক অস্থিরতায় স্বর্ণের চাহিদা বাড়ে, এবার শক্তিশালী ডলারই নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে এগিয়ে থাকায় স্বর্ণের বাজারে উল্টো চাপ তৈরি হয়েছে।