ঈদের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে বলেও জানা গেছে। বুধবার (২৭ মে) ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, আইনজীবী রিঙ্কি চট্টোপাধ্যায় সিং গত ২০ মে শিলিগুড়ি সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগটি দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কয়েকটি মন্তব্য ‘সনাতনী হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত’ করেছে। অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, প্রথমে পুলিশ মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে একাধিকবার থানায় যোগাযোগ করার পর এফআইআর গ্রহণ করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৫ সালে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এবং পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে ধর্মতলায় এক প্রতিবাদ সমাবেশে দেওয়া মমতার দুটি বক্তব্য বিতর্কের জন্ম দেয়। অভিযোগে বলা হয়, ওই বক্তব্যগুলো ‘উসকানিমূলক’ এবং ‘অসাংবিধানিক’। অভিযোগকারী দাবি করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক বক্তব্যে বলেছিলেন, একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায় চাইলে ‘পাঁচ মিনিটের মধ্যে অন্যদের শেষ করে দিতে পারে’। তার মতে, সাংবিধানিক পদে থাকা একজন ব্যক্তির কাছ থেকে এ ধরনের

ঈদের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে বলেও জানা গেছে।

বুধবার (২৭ মে) ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, আইনজীবী রিঙ্কি চট্টোপাধ্যায় সিং গত ২০ মে শিলিগুড়ি সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগটি দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কয়েকটি মন্তব্য ‘সনাতনী হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত’ করেছে।

অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, প্রথমে পুলিশ মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে একাধিকবার থানায় যোগাযোগ করার পর এফআইআর গ্রহণ করা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৫ সালে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এবং পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে ধর্মতলায় এক প্রতিবাদ সমাবেশে দেওয়া মমতার দুটি বক্তব্য বিতর্কের জন্ম দেয়।

অভিযোগে বলা হয়, ওই বক্তব্যগুলো ‘উসকানিমূলক’ এবং ‘অসাংবিধানিক’। অভিযোগকারী দাবি করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক বক্তব্যে বলেছিলেন, একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায় চাইলে ‘পাঁচ মিনিটের মধ্যে অন্যদের শেষ করে দিতে পারে’। তার মতে, সাংবিধানিক পদে থাকা একজন ব্যক্তির কাছ থেকে এ ধরনের মন্তব্য প্রত্যাশিত নয়।

এ ঘটনায় ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, ভয়ভীতি প্রদর্শন, শান্তিভঙ্গের উদ্দেশ্যে অপমান, মিথ্যা তথ্য প্রচার, মানহানি এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগসংক্রান্ত ধারা।

শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অভিযোগ গ্রহণ করে নিয়ম অনুযায়ী মামলা রুজু করা হয়েছে এবং এফআইআরে উল্লিখিত সব বিষয় তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow