ঈদের ছুটিতে ধানমন্ডি লেক ও কলাবাগান শিশু পার্কে জনস্রোত
পবিত্র ঈদুল আজহার তৃতীয় দিন রাজধানীর বিনোদন-কেন্দ্রগুলোতে ভিড় বেড়েছে। ঈদের ছুটি উপভোগ করতে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে ভিড় জমিয়েছেন ধানমন্ডি লেক, রবীন্দ্র সরোবর ও কলাবাগান শিশু পার্কে। শনিবার (৩০ মে) সরেজমিনে দেখা যায়, রবীন্দ্র সরোবর চত্বরে কেউ কেউ সময় কাটাচ্ছেন আড্ডা আর খোশগল্পে। অনেকে আবার লেকের শান্ত পানিতে প্যাডেল চালিত নৌকা ভাড়া করে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কলাবাগানের শিশু পার্কে শিশুদের নিয়ে অভিভাবকদের ব্যস্ততা ছিল চোখে পড়ার মতো। টিকিট কেটে পার্কের বিভিন্ন রাইডে চড়ে শিশুরা মেতে উঠেছে নির্মল আনন্দে। পাশে দাঁড়িয়ে সেই আনন্দ উপভোগ করছেন অভিভাবকরা। মোহাম্মদপুরের তাজমহল রোড থেকে সপরিবারে আসা নাজমা বেগম জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের ছোটবেলায় শাহবাগের শিশু পার্কই ছিল বিনোদনের প্রধান জায়গা। তখন দুই টাকায় টিকিট পাওয়া যেত, যা সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী ছিল। এখন তো বিনোদনকেন্দ্রের বড়ই অভাব। বেসরকারি যেসব পার্ক রয়েছে, সেগুলোতে প্রবেশমূল্য ও রাইডের ভাড়া অনেক বেশি। আরও পড়ুনতীব্র রোদ, গরমেও বিনোদনকেন্দ্রে উপচে পড়া ভিড় ‘মা-বাবার সঙ্গে ঈদ কাটাতে পারি না, খুব মন খারাপ হয়’ তবে কলাবা
পবিত্র ঈদুল আজহার তৃতীয় দিন রাজধানীর বিনোদন-কেন্দ্রগুলোতে ভিড় বেড়েছে। ঈদের ছুটি উপভোগ করতে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে ভিড় জমিয়েছেন ধানমন্ডি লেক, রবীন্দ্র সরোবর ও কলাবাগান শিশু পার্কে।
শনিবার (৩০ মে) সরেজমিনে দেখা যায়, রবীন্দ্র সরোবর চত্বরে কেউ কেউ সময় কাটাচ্ছেন আড্ডা আর খোশগল্পে। অনেকে আবার লেকের শান্ত পানিতে প্যাডেল চালিত নৌকা ভাড়া করে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
কলাবাগানের শিশু পার্কে শিশুদের নিয়ে অভিভাবকদের ব্যস্ততা ছিল চোখে পড়ার মতো। টিকিট কেটে পার্কের বিভিন্ন রাইডে চড়ে শিশুরা মেতে উঠেছে নির্মল আনন্দে। পাশে দাঁড়িয়ে সেই আনন্দ উপভোগ করছেন অভিভাবকরা।
মোহাম্মদপুরের তাজমহল রোড থেকে সপরিবারে আসা নাজমা বেগম জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের ছোটবেলায় শাহবাগের শিশু পার্কই ছিল বিনোদনের প্রধান জায়গা। তখন দুই টাকায় টিকিট পাওয়া যেত, যা সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী ছিল। এখন তো বিনোদনকেন্দ্রের বড়ই অভাব। বেসরকারি যেসব পার্ক রয়েছে, সেগুলোতে প্রবেশমূল্য ও রাইডের ভাড়া অনেক বেশি।
আরও পড়ুন
তীব্র রোদ, গরমেও বিনোদনকেন্দ্রে উপচে পড়া ভিড়
‘মা-বাবার সঙ্গে ঈদ কাটাতে পারি না, খুব মন খারাপ হয়’
তবে কলাবাগানের এই পার্কটি শিশুদের জন্য ভালো এবং ঈদ উপলক্ষে এখানে নতুন কিছু রাইড যুক্ত করায় বাচ্চারা বেশ আনন্দ পাচ্ছে বলেও তিনি জানান।
তেজগাঁওয়ের মণিপুরি পাড়ার বাসিন্দা আবুল ফজল স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে এসেছেন ধানমন্ডি লেকে। জাগো নিউজকে তিনি বলেন, বিকেলে ধানমন্ডি লেকে প্যাডেল নৌকায় ঘুরতে আমার ছেলেমেয়েরা খুব পছন্দ করে। নৌকায় চড়ার সময় ওদের প্যাডেল ঘোরানোর সুযোগ করে দেই। নৌকা দিক পরিবর্তন করলে শিশুদের সেই ভয় ও আনন্দের সংমিশ্রণ দেখতে দারুণ লাগে।
রাজধানীতে শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত বিনোদনকেন্দ্র না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ছেলেমেয়েদের কিছুটা আনন্দের সুযোগ দিতেই ছুটির দিনে এখানে ছুটে আসি। আমাদের প্রত্যাশা নগরীতে শিশুদের জন্য আরও বেশি বিনোদনমূলক পরিবেশ তৈরি করা হোক।
এমইউ/কেএসআর
What's Your Reaction?