ঈদের ছুটিতে হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট, ভোগান্তিতে রোগী-স্বজনরা

উৎসবের দিনেও অসুস্থ শরীর নিয়ে হাসপাতালে এসে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের রোগীরা। ঈদের ছুটিতে পর্যাপ্ত চিকিৎসক না থাকায় সঠিক সময়ে চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। শনিবার (২১ মার্চ) বিকেলে সরজমিনে হাসপাতালে গিয়ে রোগীদের এমন ক্ষোভ ও উদ্বেগের চিত্র দেখা গেছে। ঈদের আনন্দ সবার ঘরে পৌঁছালেও হাসপাতালের বেডে শুয়ে থাকা রোগীদের জন্য দিনটি ছিল কষ্টের। এর ওপর যোগ হয়েছে চিকিৎসক সংকট। ঠাকুরগাঁও কালিতলা এলাকা থেকে আসা লিজা আক্তার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গতকাল রাতে সন্তান নিয়ে এসেছি, ও খুব অসুস্থ। কিন্তু আজ বিকেল পর্যন্ত কোনো ডাক্তারের দেখা পাইনি। একই চিত্র দেখা গেছে অন্যান্য ওয়ার্ডেও। ভুক্তভোগী জুয়েল প্রশ্ন তোলেন, ‘ঈদের দিন বলে কি আমরা চিকিৎসা পাবো না? সকাল থেকে বসে আছি কিন্তু ডাক্তার নেই’। শিশু রোগীর পিতা তানভীর হাসান আক্ষেপ করে বলেন, “উৎসব সবার জন্য হলেও অসুস্থ মানুষের তো ছুটি নেই। ডাক্তার না থাকলে আমরা যাব কোথায়?” এই পরিস্থিতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছেন ভুক্তভোগীরা, যাতে উৎসবের দিনেও চিকিৎসা

ঈদের ছুটিতে হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট, ভোগান্তিতে রোগী-স্বজনরা

উৎসবের দিনেও অসুস্থ শরীর নিয়ে হাসপাতালে এসে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের রোগীরা। ঈদের ছুটিতে পর্যাপ্ত চিকিৎসক না থাকায় সঠিক সময়ে চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা।

শনিবার (২১ মার্চ) বিকেলে সরজমিনে হাসপাতালে গিয়ে রোগীদের এমন ক্ষোভ ও উদ্বেগের চিত্র দেখা গেছে।

ঈদের আনন্দ সবার ঘরে পৌঁছালেও হাসপাতালের বেডে শুয়ে থাকা রোগীদের জন্য দিনটি ছিল কষ্টের। এর ওপর যোগ হয়েছে চিকিৎসক সংকট। ঠাকুরগাঁও কালিতলা এলাকা থেকে আসা লিজা আক্তার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গতকাল রাতে সন্তান নিয়ে এসেছি, ও খুব অসুস্থ। কিন্তু আজ বিকেল পর্যন্ত কোনো ডাক্তারের দেখা পাইনি।

একই চিত্র দেখা গেছে অন্যান্য ওয়ার্ডেও। ভুক্তভোগী জুয়েল প্রশ্ন তোলেন, ‘ঈদের দিন বলে কি আমরা চিকিৎসা পাবো না? সকাল থেকে বসে আছি কিন্তু ডাক্তার নেই’। শিশু রোগীর পিতা তানভীর হাসান আক্ষেপ করে বলেন, “উৎসব সবার জন্য হলেও অসুস্থ মানুষের তো ছুটি নেই। ডাক্তার না থাকলে আমরা যাব কোথায়?”

ঈদের ছুটিতে হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট, ভোগান্তিতে রোগী-স্বজনরা

এই পরিস্থিতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছেন ভুক্তভোগীরা, যাতে উৎসবের দিনেও চিকিৎসাসেবা নির্বিঘ্ন থাকে।

ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. জয়ন্ত সাহা বলেন, আমরা সব ওয়ার্ডে ডাক্তার পাঠিয়েছি। এক্ষেত্রে শিশু ওয়ার্ডে এমনিতে ডাক্তার কম। একজন দ্বায়িত্বে আছে। তার যাওয়ার কথা। আমি দ্রুতই তার সঙ্গে কথা বলবো।

এই বিষয়ে হাসপাতালটির পরিচালক ডা. মোহা. ফিরোজ জামান জুয়েল অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডে রাউন্ডের জন্য দায়িত্বরত ডাক্তার রয়েছে। কেউ ডাক্তারের দেখা না পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

তানভীর হাসান তানু/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow