ঈদের দিন হুইলচেয়ার নিয়ে যুবকের বাড়িতে জেলা প্রশাসক

ঈদের আনন্দ যখন সবার ঘরে, ঠিক সে সময় দীর্ঘ ৮ বছর ধরে ঘরবন্দি এক তরুণের পাশে দাঁড়িয়েছেন পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মো. শহিদ হোসেন চৌধুরী। শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার প্রত্যন্ত মিঠাপুর গ্রামের কৃষক এনছান মিয়ার ছেলে বায়েজিদ (২২) খোঁজখবর নেন জেলা প্রশাসক। এসময় তার সঙ্গে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) তারেক হাওলাদারসহ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা উপস্থিত ছিলেন। জানা যায়, আট বছর আগে পরিবারের হাল ধরতে জীবনের প্রথম দিন শ্রমিকের কাজ করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হন ২২ বছর বয়সি ওই যুবক। সিমেন্টের বস্তা কাঁধে তোলার সময় ঘাড়ের রগ ছিঁড়ে গেলে তিনি স্থায়ীভাবে প্রতিবন্ধী হয়ে পড়েন। এরপর থেকে তিনি ঘরবন্দি জীবনযাপন করছেন। দীর্ঘদিন চিকিৎসা করাতে গিয়ে পরিবারটি আর্থিকভাবে নিঃস্ব হয়ে পড়ে। চলাফেরার জন্য প্রয়োজনীয় একটি হুইলচেয়ারও ছিল না তার। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে ঈদের দিন তার বাড়িতে গিয়ে একটি হুইলচেয়ার উপহার দেন জেলা প্রশাসক। হুইলচেয়ার পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে ও তরুণ বলেন, হঠাৎ এক দুর্ঘটনায় আমি অসহায় হয়ে পড়েছি। চিকিৎসা করাতে গিয়ে পরিবার নিঃস্ব। আমি এখন পরিবারের বোঝা হয়ে আছি। জেলা প্রশাসক স্য

ঈদের দিন হুইলচেয়ার নিয়ে যুবকের বাড়িতে জেলা প্রশাসক

ঈদের আনন্দ যখন সবার ঘরে, ঠিক সে সময় দীর্ঘ ৮ বছর ধরে ঘরবন্দি এক তরুণের পাশে দাঁড়িয়েছেন পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মো. শহিদ হোসেন চৌধুরী।

শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার প্রত্যন্ত মিঠাপুর গ্রামের কৃষক এনছান মিয়ার ছেলে বায়েজিদ (২২) খোঁজখবর নেন জেলা প্রশাসক। এসময় তার সঙ্গে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) তারেক হাওলাদারসহ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, আট বছর আগে পরিবারের হাল ধরতে জীবনের প্রথম দিন শ্রমিকের কাজ করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হন ২২ বছর বয়সি ওই যুবক। সিমেন্টের বস্তা কাঁধে তোলার সময় ঘাড়ের রগ ছিঁড়ে গেলে তিনি স্থায়ীভাবে প্রতিবন্ধী হয়ে পড়েন। এরপর থেকে তিনি ঘরবন্দি জীবনযাপন করছেন।

ঈদের দিন হুইলচেয়ার নিয়ে যুবকের বাড়িতে জেলা প্রশাসক

দীর্ঘদিন চিকিৎসা করাতে গিয়ে পরিবারটি আর্থিকভাবে নিঃস্ব হয়ে পড়ে। চলাফেরার জন্য প্রয়োজনীয় একটি হুইলচেয়ারও ছিল না তার। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে ঈদের দিন তার বাড়িতে গিয়ে একটি হুইলচেয়ার উপহার দেন জেলা প্রশাসক।

হুইলচেয়ার পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে ও তরুণ বলেন, হঠাৎ এক দুর্ঘটনায় আমি অসহায় হয়ে পড়েছি। চিকিৎসা করাতে গিয়ে পরিবার নিঃস্ব। আমি এখন পরিবারের বোঝা হয়ে আছি। জেলা প্রশাসক স্যার ঈদের দিনে আমার বাড়িতে এসেছেন, এটি আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া।

জেলা প্রশাসক ড. মো. শহিদ হোসেন চৌধুরী বলেন, তরুণটি ঘরবন্দি ছিল। একটি হুইলচেয়ারের অভাবে বাইরে বের হতে পারছিল না। বিষয়টি জানার পর আমি তার পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। ঈদের দিনে তার সঙ্গে কিছুটা আনন্দ ভাগাভাগি করতে পেরে ভালো লাগছে।

মাহমুদ হাসান রায়হান/আরএইচ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow