ঈদের নামাজের ওয়াক্ত শুরু হয় কখন, কখন তা পড়তে হবে?

পবিত্র ঈদের দিন মুসলমানদের জন্য আনন্দ, কৃতজ্ঞতা ও ইবাদতের এক বিশেষ মুহূর্ত। এ দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমলগুলোর একটি হলো ‘ঈদের নামাজ’। শরিয়তের ভাষ্যমতে, যাদের ওপর জুমার নামাজ ফরজ, তাদের ওপর ঈদের এই নামাজ ওয়াজিব। অর্থাৎ, প্রাপ্ত বয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন, যেসকল মুসলিম পুরুষ জামাতে উপস্থিত হয়ে ঈদের নামাজ আদায়ের সক্ষমতা রাখে, তাদেরকে ঈদের নামাজ পড়তে হবে। (আলমুহীতুল বুরহানী : ২/৪৭৬, বাদায়েউস সানায়ে : ১/৬১৭, শরহুল মুনইয়া : পৃ. ৫৬৫) এখন প্রশ্ন জাগে, ‘ঈদেরর ওয়াক্ত কখন শুরু হয়? কখন নামাজ পড়তে হ নামাজেবে?’ এ প্রসঙ্গে সহিহ হাদিস ও ফিকহের কিতাবে বলা হয়েছে, ঈদের নামাজের ওয়াক্ত হচ্ছে সূর্য উদিত হয়ে (নামাজের) নিষিদ্ধ সময় শেষ হওয়ার পর থেকে শুরু করে যাওয়াল তথা সূর্য পশ্চিম আকাশে হেলে পড়ার আগ পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যেই ঈদের নামাজ পড়তে হবে। যাওয়ালের পর আর ঈদের নামাজ সহিহ হবে না। (আবু দাউদ : ১১৩৫, আননুতাফ ফিল ফাতাওয়া : পৃ. ৬৫, আলমুহীতুল বুরহানী : ২/৪৭৭, বাদায়েউস সানায়ে : ১/৬১৯) কখন নামাজ পড়তে হবে ঈদুল আজহার নামাজ ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর দেরি না করে একটু তাড়াতাড়ি পড়া মুস্তাহাব। যাতে কোরবানির কাজ দ্রুত

ঈদের নামাজের ওয়াক্ত শুরু হয় কখন, কখন তা পড়তে হবে?

পবিত্র ঈদের দিন মুসলমানদের জন্য আনন্দ, কৃতজ্ঞতা ও ইবাদতের এক বিশেষ মুহূর্ত। এ দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমলগুলোর একটি হলো ‘ঈদের নামাজ’।

শরিয়তের ভাষ্যমতে, যাদের ওপর জুমার নামাজ ফরজ, তাদের ওপর ঈদের এই নামাজ ওয়াজিব। অর্থাৎ, প্রাপ্ত বয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন, যেসকল মুসলিম পুরুষ জামাতে উপস্থিত হয়ে ঈদের নামাজ আদায়ের সক্ষমতা রাখে, তাদেরকে ঈদের নামাজ পড়তে হবে। (আলমুহীতুল বুরহানী : ২/৪৭৬, বাদায়েউস সানায়ে : ১/৬১৭, শরহুল মুনইয়া : পৃ. ৫৬৫)

এখন প্রশ্ন জাগে, ‘ঈদেরর ওয়াক্ত কখন শুরু হয়? কখন নামাজ পড়তে হ নামাজেবে?’

এ প্রসঙ্গে সহিহ হাদিস ও ফিকহের কিতাবে বলা হয়েছে, ঈদের নামাজের ওয়াক্ত হচ্ছে সূর্য উদিত হয়ে (নামাজের) নিষিদ্ধ সময় শেষ হওয়ার পর থেকে শুরু করে যাওয়াল তথা সূর্য পশ্চিম আকাশে হেলে পড়ার আগ পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যেই ঈদের নামাজ পড়তে হবে। যাওয়ালের পর আর ঈদের নামাজ সহিহ হবে না। (আবু দাউদ : ১১৩৫, আননুতাফ ফিল ফাতাওয়া : পৃ. ৬৫, আলমুহীতুল বুরহানী : ২/৪৭৭, বাদায়েউস সানায়ে : ১/৬১৯)

কখন নামাজ পড়তে হবে

ঈদুল আজহার নামাজ ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর দেরি না করে একটু তাড়াতাড়ি পড়া মুস্তাহাব। যাতে কোরবানির কাজ দ্রুত শুরু করা যায়। আর ঈদুল ফিতরের নামাজও ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি আদায় করে নেবে। (মুসান্নাফে আব্দুর রাজযাক : বর্ণনা ৫৬৫১, আননুতাফ ফিল ফাতাওয়া : পৃ. ৬৭,  আলবাহরুর রায়েক : ২/১৬০,  ফাতাওয়া হিন্দিয়া :  ১/১৫০)

প্রসঙ্গত, ঈদের নামাজ দুই রাকাত। এই নামাজের নিয়ম হলো, নিয়ত করে তাকবিরে তাহরিমা বলে নামাজ শুরু করে ছানা পড়বে। ছানা পড়ার পর ‘আল্লাহু আকবার’ ‘আল্লাহু আকবার’ ‘আল্লাহু আকবার’ বলে আরও তিনটি তাকবির বলবে।

প্রথম দুই তাকবির বলার সময় উভয় হাত কানের লতি পর্যন্ত উঠিয়ে হাত না বেঁধে ছেড়ে দেবে। তৃতীয় তাকবির বলার সময় কানের লতি পর্যন্ত হাত উঠিয়ে বেঁধে নেবে। অতঃপর সুরা-কেরাত পড়ে রুকুতে যাবে এবং প্রথম রাকাত শেষ করবে।

দ্বিতীয় রাকাতে দাঁড়িয়ে সুরা-কেরাত পড়ে রুকুতে যাওয়ার পূর্বে আগের নিয়মে তিনটি তাকবির বলবে। তবে দ্বিতীয় রাকাতে তৃতীয় তাকবির বলার সময়ও হাত না বেঁধে ছেড়ে দেবে। অতঃপর চতুর্থ তাকবির বলে রুকু করবে। এরপর অন্যান্য নামাজের ন্যায় যথারীতি নামাজ শেষ করবে। (কিতাবুল আছল : ১/৩১৯, আলহাবীল কুদসী : ১/২৪৩)

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow