ঈদের পর ঢাকায় ‘টেসলা’ নিয়ন্ত্রণে নামতে পারে ডিএমপি
ঈদের পর ঢাকায় ‘টেসলা’ নিয়ন্ত্রণে নামতে পারে পুলিশ এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন ডিএমপির উপ-কমিশনার (মতিঝিল বিভাগ) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। তিনি বলেন, ‘ঈদের পর এই টেসলা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে একটা উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম আপনাদের চোখে পড়বে।’ একইসঙ্গে সড়কে যেকোনো ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মতিঝিলের ঢাকা চেম্বার অডিটরিয়ামে ‘ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণে নির্বাচন-পরবর্তী উন্নত আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখার অত্যাবশ্যকীয়তা’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এ সেমিনারের আয়োজন করে। ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এতে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরাও বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারমন এ এইচ এম আহসান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন এফবিসিসিআই প্রশাসক মো. আবদুর রহিম খান। আলোচক হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালক (যুগ্মসচিব) আব্দুল জলিল ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আইআইটি অধিশাখা
ঈদের পর ঢাকায় ‘টেসলা’ নিয়ন্ত্রণে নামতে পারে পুলিশ এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন ডিএমপির উপ-কমিশনার (মতিঝিল বিভাগ) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। তিনি বলেন, ‘ঈদের পর এই টেসলা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে একটা উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম আপনাদের চোখে পড়বে।’ একইসঙ্গে সড়কে যেকোনো ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মতিঝিলের ঢাকা চেম্বার অডিটরিয়ামে ‘ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণে নির্বাচন-পরবর্তী উন্নত আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখার অত্যাবশ্যকীয়তা’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এ সেমিনারের আয়োজন করে।
ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এতে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরাও বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারমন এ এইচ এম আহসান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন এফবিসিসিআই প্রশাসক মো. আবদুর রহিম খান।
আলোচক হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালক (যুগ্মসচিব) আব্দুল জলিল ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আইআইটি অধিশাখার অতিরিক্ত সচিব শিবির বিচিত্র বড়ুয়া।
ডিএমপির উপ-কমিশনার (মতিঝিল বিভাগ) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, ‘আমাদের দেশে প্রতিবছর গাড়ির হার বাড়ছে। যে টেসলার কথা যেটা বিশেষভাবে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে আপনার কয়েক লাখ টেসলা গাড়ি এই ঢাকা শহরে প্রবেশ করেছে। এগুলোর আপনি যদি একটা রোডে পাঁচটা লেন থাকে, তারা কিন্তু পাঁচটা লেনেই চলাচল করে এবং হঠাৎ করে কোন দিক থেকে আসবে না কোন দিকে যাবে; এটা আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না।’
তিনি বলেন, অর্ন্তবর্তী সরকারের আমলে কিন্তু কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তখন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে অন্তত এগুলো বন্ধ থাকবে অথবা প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে চলাচল করবে না। কিন্তু পরবর্তীতে আপনারা দেখেছেন যেহেতু এটার সুফলভোগী মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি, তারা সবাই রাস্তায় নেমে এসেছিল। বাধ্য হয়ে সরকার তখন তাদেরকে চলার অনুমতি প্রদান করে। এখন যে নির্বাচিত সরকার এসেছে ও একটা জিনিস আপনাদের সবার মনে রাখতে হবে আপনারা যে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা বলছেন, এটার ওপর ভিত্তি করে অসংখ্য মানুষের জীবন জীবিকা নির্ভয় করে। সেজন্য এই রিকশার বিষয়ে কিছু সিদ্ধান্ত সরকার থেকে আমাদের দিয়েছে, আমরাও এগুলো নিয়ে কাজ করছি। আশা করছি যে বিপরীত কিছু কাজ হবে এবং আফটার ঈদ মনে হয় যে এই টেসলা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে একটা উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম আপনাদের চোখে পড়বে।
সড়কে চাঁদাবাজি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, চাঁদাবাজির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। যদি কোনো পুলিশ সদস্য বা প্রভাবশালী ব্যক্তি চাঁদাবাজিতে লিপ্ত থাকে, তবে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের ডিসি জানান, ‘চাঁদাবাজি রোধে আমরা কঠোর অবস্থানে আছি। নাগরিকদের প্রতি অনুরোধ, আপনারা তথ্য দিয়ে আমাদের সহায়তা করুন। যদি কোনো পর্যায়ে অভিযোগের প্রতিকার না পান, তবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানান। বর্তমান ডিজিটাল যুগে কোনো অপরাধ লুকিয়ে রাখার সুযোগ নেই।’
পুলিশের এই সদস্য বলেন, যানজটের অন্যতম কারণ হিসেবে ফুটপাত দখল ও হকারদের দৌরাত্ম্যে রয়েছে। হকারদের উচ্ছেদ করার পর তারা আবারও ফিরে আসে। এর পেছনে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী মহলের ইন্ধন থাকে। রাজধানীর সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতে নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে সীমিত জনবল দিয়ে ৩২ হাজার পুলিশ সদস্যের পক্ষে পুরো ঢাকার আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক সামলানো একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, কেবল আইন দিয়ে নয়, সচেতনতা দিয়েও যানজট কমানো সম্ভব। ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও নাগরিকরা কেন এসব রিকশায় চড়ছেন, সেই প্রশ্ন তোলা হয়। উল্টো পথে রিকশা চলতে বাধা দেওয়া ও গ্যারেজ মালিকদের অবৈধ চার্জিং বন্ধ করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। আর যেকোনো অপরাধ বা জরুরি প্রয়োজনে নাগরিকদের ৯৯৯-এ ফোন করার পরামর্শ দেন তিনি। পুলিশের দাবি, ৯৯৯-এ প্রতিটি কল রেকর্ড করা থাকে, যার ফলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয় এবং মানুষ দ্রুত সেবা পায়।
ইএইচটি/এসএনআর
What's Your Reaction?