ঈদ ও জুমা একই দিনে হলে কী করবেন
কখনো কখনো এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় যে, পবিত্র ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আজহার দিনটি পড়েছে শুক্রবারে। তখন অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, ঈদের নামাজ আদায় করলে কি জুমার নামাজ আর পড়তে হবে না? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা সাধারণ আলোচনায় এ বিষয়ে নানা মত শোনা যায়। তবে শরিয়তের দৃষ্টিতে বিষয়টি সুস্পষ্ট। রাজধানীর জামিয়াতুল ইসলামিয়া বায়তুস সালামের ফতোয়া বিভাগের মুশরিফ মুফতি আবদুর রহমান হোসাইনী কালবেলাকে বলেন, জুমার দিন বা শুক্রবার ঈদ হলে ঈদ ও জুমা উভয়টিই পড়তে হবে। তিনি জানান, ঈদের নামাজ পড়লে জুমা পড়তে হবে না— এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। কেননা ঈদের নামাজ ও জুমার নামাজ দুটি পৃথক পৃথক আমল। অন্যদিকে ঈদের নামাজ ওয়াজিব আর জুমার নামাজ ফরজ। সুতরাং একটি আদায় করে আরেকটি বাদ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এর স্বপক্ষে হাদিসের অনেক সুস্পষ্ট প্রমাণও রয়েছে। জুমার দিন ঈদ হলে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উভয় নামাজই পড়তেন। সহিহ হাদিস দ্বারা এটিই প্রমাণিত। এক্ষেত্রে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে জুমার নামাজ না পড়ার কোনো প্রমাণ নেই। (বোখারি : ৫৫৭২, মুসলিম : ৮৭৮, মুসনাদুশ শাফেয়ী : ৫০০, শরহু মুশকিলিল আছার : ৩/১৮৭, আত
কখনো কখনো এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় যে, পবিত্র ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আজহার দিনটি পড়েছে শুক্রবারে। তখন অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, ঈদের নামাজ আদায় করলে কি জুমার নামাজ আর পড়তে হবে না? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা সাধারণ আলোচনায় এ বিষয়ে নানা মত শোনা যায়। তবে শরিয়তের দৃষ্টিতে বিষয়টি সুস্পষ্ট।
রাজধানীর জামিয়াতুল ইসলামিয়া বায়তুস সালামের ফতোয়া বিভাগের মুশরিফ মুফতি আবদুর রহমান হোসাইনী কালবেলাকে বলেন, জুমার দিন বা শুক্রবার ঈদ হলে ঈদ ও জুমা উভয়টিই পড়তে হবে।
তিনি জানান, ঈদের নামাজ পড়লে জুমা পড়তে হবে না— এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল।
কেননা ঈদের নামাজ ও জুমার নামাজ দুটি পৃথক পৃথক আমল। অন্যদিকে ঈদের নামাজ ওয়াজিব আর জুমার নামাজ ফরজ। সুতরাং একটি আদায় করে আরেকটি বাদ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
এর স্বপক্ষে হাদিসের অনেক সুস্পষ্ট প্রমাণও রয়েছে। জুমার দিন ঈদ হলে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উভয় নামাজই পড়তেন। সহিহ হাদিস দ্বারা এটিই প্রমাণিত। এক্ষেত্রে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে জুমার নামাজ না পড়ার কোনো প্রমাণ নেই। (বোখারি : ৫৫৭২, মুসলিম : ৮৭৮, মুসনাদুশ শাফেয়ী : ৫০০, শরহু মুশকিলিল আছার : ৩/১৮৭, আততামহীদ : ১৪/২৭৪)
What's Your Reaction?