উদ্ধারের পর জ্ঞান ছিল হাঁসফাঁস করছিলেন রাহুল: নুলিয়া
চোখের সামনে জ্যান্ত একটা মানুষ তলিয়ে গেল অতল জলে। উদ্ধারের পর বুকের ভেতর জমে থাকা জল বের করার আপ্রাণ চেষ্টা চললেও শেষরক্ষা হলো না। ওড়িশার তালসারির মোহনায় অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মর্মান্তিক মৃত্যু নিয়ে এবার ঠিক এমন লোমহর্ষক বর্ণনাই দিলেন শুটিং সেটে থাকা উদ্ধারকারী নুলিয়া ভগীরথ জানা। তার এই নতুন বয়ান ইতিমধ্যে পুরো ঘটনাকে আরও বেশি রহস্যময় করে তুলেছে। ভগীরথ জানা জানান দুপুর ১২টা থেকেই তিনি শুটিং স্পটে উপস্থিত ছিলেন। তিনি সরাসরি দাবি করেন রাহুল ও অভিনেত্রী শ্বেতা যখন সমুদ্রের দিকে এগোচ্ছিলেন তখন পেছন থেকে তিনি একাধিকবার সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু তখন জোরে বাতাস বইছিল এবং আবহাওয়া খারাপ হতে শুরু করায় জোয়ারের জল দ্রুত বাড়ছিল। প্রবল বাতাসের কারণেই তার সতর্কবাণী রাহুলের কানে পৌঁছায়নি বলে জানান এই নুলিয়া। উদ্ধার অভিযানের বর্ণনা দিয়ে ভগীরথ বলেন তারা গভীর জলে হাবুডুবু খাওয়ার সময় তিনি দৌড়ে গিয়ে জলে ঝাঁপ দেন। প্রথমে তিনি শ্বেতাকে উদ্ধার করে একটি স্থানীয় নৌকার মাধ্যমে দড়ি দিয়ে তুলে দেন। এরপর তিনি রাহুলকে জল থেকে তুলে কাঁধে করে ডাঙায় আনেন এবং দ্রুত গাড়িতে তুলে দেন। ডাঙায় আনার পর রাহুলের অ
চোখের সামনে জ্যান্ত একটা মানুষ তলিয়ে গেল অতল জলে। উদ্ধারের পর বুকের ভেতর জমে থাকা জল বের করার আপ্রাণ চেষ্টা চললেও শেষরক্ষা হলো না। ওড়িশার তালসারির মোহনায় অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মর্মান্তিক মৃত্যু নিয়ে এবার ঠিক এমন লোমহর্ষক বর্ণনাই দিলেন শুটিং সেটে থাকা উদ্ধারকারী নুলিয়া ভগীরথ জানা। তার এই নতুন বয়ান ইতিমধ্যে পুরো ঘটনাকে আরও বেশি রহস্যময় করে তুলেছে।
ভগীরথ জানা জানান দুপুর ১২টা থেকেই তিনি শুটিং স্পটে উপস্থিত ছিলেন। তিনি সরাসরি দাবি করেন রাহুল ও অভিনেত্রী শ্বেতা যখন সমুদ্রের দিকে এগোচ্ছিলেন তখন পেছন থেকে তিনি একাধিকবার সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু তখন জোরে বাতাস বইছিল এবং আবহাওয়া খারাপ হতে শুরু করায় জোয়ারের জল দ্রুত বাড়ছিল। প্রবল বাতাসের কারণেই তার সতর্কবাণী রাহুলের কানে পৌঁছায়নি বলে জানান এই নুলিয়া।
উদ্ধার অভিযানের বর্ণনা দিয়ে ভগীরথ বলেন তারা গভীর জলে হাবুডুবু খাওয়ার সময় তিনি দৌড়ে গিয়ে জলে ঝাঁপ দেন। প্রথমে তিনি শ্বেতাকে উদ্ধার করে একটি স্থানীয় নৌকার মাধ্যমে দড়ি দিয়ে তুলে দেন। এরপর তিনি রাহুলকে জল থেকে তুলে কাঁধে করে ডাঙায় আনেন এবং দ্রুত গাড়িতে তুলে দেন।
ডাঙায় আনার পর রাহুলের অবস্থা কেমন ছিল সেই বিষয়ে নুলিয়া সরাসরি জানান রাহুল সাঁতার জানতেন না বলে তার পেটে অনেকটা জল ঢুকে গিয়েছিল। তবে তখনো রাহুলের জ্ঞান ছিল এবং তিনি প্রচণ্ড হাঁসফাঁস করছিলেন। পেটে চাপ দেওয়া হলে রাহুলের মুখ দিয়ে কিছুটা জল ও বমিও বের হয় বলে জানান তিনি। ভগীরথ আক্ষেপ করে বলেন রাহুল যেখানে পড়েছিলেন সেখানে জলের টান অত্যন্ত বেশি ছিল তাই তার জায়গায় দশজন নুলিয়া থাকলেও একই পরিণতি হতো।
What's Your Reaction?