উন্নয়নের দেশে নাগরিকের প্রিয় খেলা: উদ্বোধন দেখা
বাংলাদেশে উন্নয়ন দেখতে চাইলে কোনো কোনো সময় প্রকল্পের ভেতরে যেতে হয় না। শুধু উদ্বোধনের দিনটিতে উপস্থিত থাকলেই যথেষ্ট। ফিতা কাটা হবে, ফলক উন্মোচন হবে, বেলুন উড়বে, মাইক্রোফোনে উন্নয়নের বর্ণনা দেওয়া হবে, অতিথিরা বক্তৃতা করবেন, ছবি উঠবে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট হবে। তারপর? তারপর নাগরিকের জন্য শুরু হবে অপেক্ষা—কাজটি আসলে কবে শেষ হবে, কখন চালু হবে, কত দিন টিকবে এবং উদ্বোধনের পর আবার কবে নতুন করে উদ্বোধন হবে। আমাদের উন্নয়নের সবচেয়ে দৃশ্যমান অংশ অনেক সময় প্রকল্প নয়, উদ্বোধন। একটি রাস্তা তৈরি হয়েছে—উদ্বোধন। রাস্তা মেরামত হয়েছে—পুনরায় উদ্বোধন। সেতু হয়েছে—উদ্বোধন। সেতুর ওপর বাতি বসানো হয়েছে—আবার উদ্বোধন। হাসপাতালের নতুন ভবন নির্মিত হয়েছে—উদ্বোধন। ভবনে যন্ত্রপাতি এসেছে—আরেক উদ্বোধন। যন্ত্রপাতি চালু হয়েছে—সম্ভব হলে তারও উদ্বোধন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনে হয়, প্রকল্পের জীবনচক্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো উদ্বোধন; নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও সেবা প্রদান যেন তার পার্শ্বচরিত্র। বাংলাদেশের নাগরিকরা তাই ধীরে ধীরে উন্নয়নের নতুন একটি সংজ্ঞা শিখে ফেলেছেন—যে প্রকল্পের যত বেশি উদ্বোধন, সেটি তত বেশি গুরুত্বপূর
বাংলাদেশে উন্নয়ন দেখতে চাইলে কোনো কোনো সময় প্রকল্পের ভেতরে যেতে হয় না। শুধু উদ্বোধনের দিনটিতে উপস্থিত থাকলেই যথেষ্ট। ফিতা কাটা হবে, ফলক উন্মোচন হবে, বেলুন উড়বে, মাইক্রোফোনে উন্নয়নের বর্ণনা দেওয়া হবে, অতিথিরা বক্তৃতা করবেন, ছবি উঠবে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট হবে। তারপর? তারপর নাগরিকের জন্য শুরু হবে অপেক্ষা—কাজটি আসলে কবে শেষ হবে, কখন চালু হবে, কত দিন টিকবে এবং উদ্বোধনের পর আবার কবে নতুন করে উদ্বোধন হবে।
আমাদের উন্নয়নের সবচেয়ে দৃশ্যমান অংশ অনেক সময় প্রকল্প নয়, উদ্বোধন।
একটি রাস্তা তৈরি হয়েছে—উদ্বোধন। রাস্তা মেরামত হয়েছে—পুনরায় উদ্বোধন। সেতু হয়েছে—উদ্বোধন। সেতুর ওপর বাতি বসানো হয়েছে—আবার উদ্বোধন। হাসপাতালের নতুন ভবন নির্মিত হয়েছে—উদ্বোধন। ভবনে যন্ত্রপাতি এসেছে—আরেক উদ্বোধন। যন্ত্রপাতি চালু হয়েছে—সম্ভব হলে তারও উদ্বোধন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনে হয়, প্রকল্পের জীবনচক্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো উদ্বোধন; নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও সেবা প্রদান যেন তার পার্শ্বচরিত্র।
বাংলাদেশের নাগরিকরা তাই ধীরে ধীরে উন্নয়নের নতুন একটি সংজ্ঞা শিখে ফেলেছেন—যে প্রকল্পের যত বেশি উদ্বোধন, সেটি তত বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এ যেন উন্নয়নের এক নিজস্ব গণিত। একটি প্রকল্পের খরচ কত, কত মানুষ উপকৃত হবে, কত বছরে বিনিয়োগের সুফল পাওয়া যাবে—এসব প্রশ্নের পাশাপাশি এখন আরেকটি প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ: উদ্বোধন কতবার হয়েছে?
ব্যঙ্গের বিষয় হলো, উদ্বোধন নিজে কোনো সমস্যা নয়। একটি প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন প্রয়োজন হতে পারে। জনগণের অর্থে নির্মিত কোনো অবকাঠামো জনগণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করার একটি আনুষ্ঠানিকতা থাকতেই পারে। রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধির উপস্থিতি, জনসম্পৃক্ততা, গণমাধ্যমের খবর—এসবও গণতান্ত্রিক সমাজের স্বাভাবিক অংশ।
যে প্রকল্পের যত বেশি উদ্বোধন, সেটি তত বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এ যেন উন্নয়নের এক নিজস্ব গণিত। একটি প্রকল্পের খরচ কত, কত মানুষ উপকৃত হবে, কত বছরে বিনিয়োগের সুফল পাওয়া যাবে—এসব প্রশ্নের পাশাপাশি এখন আরেকটি প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ: উদ্বোধন কতবার হয়েছে?
সমস্যা শুরু হয় তখন, যখন উদ্বোধন প্রকল্পের চেয়ে বড় হয়ে ওঠে। যখন প্রকল্পের সাফল্য মাপা হয় ফিতা কাটার সংখ্যায়, কিন্তু ব্যবহারকারীর সুবিধা মাপা হয় না। যখন ফলক থাকে, কিন্তু সেবা থাকে না। যখন ভবন থাকে, কিন্তু চিকিৎসক নেই। যখন রাস্তা থাকে, কিন্তু কয়েক মাস পরই খানাখন্দে ভরে যায়। যখন সেতু উদ্বোধন হয়, কিন্তু সংযোগ সড়ক তৈরি হয়নি। যখন বিদ্যালয়ের ভবন উদ্বোধন হয়, কিন্তু শিক্ষক নেই। তখন প্রশ্ন উঠতেই পারে—আমরা কি উন্নয়ন করছি, নাকি উন্নয়নের অনুষ্ঠান করছি?
আমাদের রাষ্ট্রীয় সংস্কৃতিতে উদ্বোধন একটি বিশেষ মর্যাদা পেয়েছে। একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এসে ফিতা কাটলে প্রকল্প যেন সামাজিক বৈধতা পায়। ফলকে নাম থাকলে প্রকল্পের সঙ্গে ব্যক্তিগত কৃতিত্বও যুক্ত হয়। কে উদ্বোধন করলেন, সেটি অনেক সময় কী নির্মিত হলো—তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এখানে রাজনীতি, প্রশাসন ও দৃশ্যমানতার এক অদ্ভুত সম্পর্ক কাজ করে।
একটি প্রকল্প নির্মাণে বছরের পর বছর সময় লাগে। পরিকল্পনা, জমি অধিগ্রহণ, অর্থায়ন, দরপত্র, নির্মাণ, তদারকি—সব মিলিয়ে দীর্ঘ প্রক্রিয়া। কিন্তু উদ্বোধন করা যায় এক দিনে। এক দিনের অনুষ্ঠানে কয়েক বছরের কাজের রাজনৈতিক কৃতিত্ব দৃশ্যমান হয়ে ওঠে। তাই উদ্বোধনের প্রতি আকর্ষণ তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু সমস্যা হলো, জনগণ উন্নয়নের ছবি দেখে নয়; উন্নয়নের ফল ভোগ করে।
একটি সড়কের উদ্বোধনী ছবি যত সুন্দরই হোক, যদি সেই সড়কে প্রতিদিন যানজট থাকে, বর্ষায় পানি জমে, কয়েক মাস পর পিচ উঠে যায়—তাহলে নাগরিকের কাছে উদ্বোধনের কোনো মূল্য নেই। একটি হাসপাতালের ভবন যত আধুনিকই হোক, যদি সেখানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স, ওষুধ ও যন্ত্রপাতি না থাকে, তাহলে ভবনটি স্বাস্থ্যসেবা নয়; এটি কেবল একটি সুন্দর স্থাপনা। উন্নয়ন হলো ব্যবহারযোগ্যতা। উন্নয়ন হলো স্থায়িত্ব। উন্নয়ন হলো মানুষের জীবনে বাস্তব পরিবর্তন।
অথচ আমাদের অনেক প্রকল্পের ক্ষেত্রে উদ্বোধনের পর যেন দায়িত্বও শেষ হয়ে যায়। নির্মাণ শেষ, ফিতা কাটা শেষ, ফলক উন্মোচন শেষ—এরপর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব কার, তা স্পষ্ট নয়। ফলে কয়েক বছরের মধ্যে নতুন প্রকল্পের প্রয়োজন হয়। পুরোনো রাস্তা ভাঙে, নতুন করে সংস্কার হয়। নতুন করে সংস্কার হলে আবার উদ্বোধনের সুযোগ তৈরি হয়।
এখানে রাষ্ট্রের অর্থ ব্যয় হয়, নাগরিকের সময় ব্যয় হয়, কিন্তু উন্নয়নের স্থায়িত্ব নিশ্চিত হয় না। একটি প্রকল্পের প্রকৃত সাফল্য উদ্বোধনের দিন বোঝা যায় না। বোঝা যায় পাঁচ বছর পর। দশ বছর পর। মানুষ সেটি ব্যবহার করছে কি না, রক্ষণাবেক্ষণ হচ্ছে কি না, প্রকল্পের ব্যয় ও সুফলের মধ্যে সামঞ্জস্য আছে কি না—এসবের ওপর প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করে।
বিশ্বের অনেক দেশে অবকাঠামো প্রকল্পের মূল্যায়নে ‘লাইফ সাইকেল কস্ট’ বা পুরো জীবনচক্রের ব্যয় বিবেচনা করা হয়। শুধু নির্মাণের খরচ নয়; রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচালনা, মেরামত ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারযোগ্যতার ব্যয়ও হিসাব করা হয়। কারণ একটি সেতু বানানোই শেষ কথা নয়; সেটি দশক ধরে নিরাপদে ব্যবহার করা যাবে কি না, সেটিই আসল প্রশ্ন।
বাংলাদেশেও প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে এই দৃষ্টিভঙ্গি আরও শক্তিশালী করা দরকার। শুধু কত টাকা খরচ হবে বা কত দিনে নির্মাণ শেষ হবে—এটি যথেষ্ট নয়। প্রকল্প শেষ হওয়ার পর কে পরিচালনা করবে, রক্ষণাবেক্ষণের অর্থ কোথা থেকে আসবে, কত বছর তা কার্যকর থাকবে—এসব প্রশ্নও বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত।
কিন্তু আমরা অনেক সময় প্রকল্পের শুরু নিয়ে যতটা আগ্রহী, শেষ নিয়ে ততটা নই। উদ্বোধনের দিন মঞ্চে যত আলো, প্রকল্পের রক্ষণাবেক্ষণে তত আলো নেই। ফলক উন্মোচনের জন্য যত আয়োজন, ফলকের পাশের অবকাঠামোটি পাঁচ বছর পর কেমন আছে—তা দেখার জন্য তত আয়োজন নেই। আমাদের উন্নয়ন-সংস্কৃতির এই প্রবণতা বদলানো জরুরি।
উদ্বোধন থাকবে, কিন্তু উদ্বোধন যেন উন্নয়নের বিকল্প না হয়।
একটি প্রকল্পের উদ্বোধনের সঙ্গে তার পূর্ণাঙ্গ তথ্যও জনগণের সামনে প্রকাশ করা যেতে পারে। প্রকল্পের মোট ব্যয়, বাস্তবায়নের সময়, সম্ভাব্য সুফল, রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব, নির্ধারিত আয়ুষ্কাল—সবকিছু নাগরিকের জানার অধিকার রয়েছে। উদ্বোধনের এক বছর পর, তিন বছর পর কিংবা পাঁচ বছর পর প্রকল্পটি কী অবস্থায় আছে, তারও মূল্যায়ন প্রকাশ করা যেতে পারে। তখন হয়তো আমরা বুঝতে পারব, কোন প্রকল্প সত্যিই উন্নয়ন করেছে আর কোন প্রকল্প কেবল উদ্বোধনের দিনই উন্নত ছিল।
আরেকটি বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে উদ্বোধনকে রাজনৈতিক প্রচারের পরিবর্তে জনসেবার সঙ্গে যুক্ত করা দরকার। প্রকল্পের সঙ্গে কোনো ব্যক্তির নাম বা রাজনৈতিক কৃতিত্বের চেয়ে জনগণের উপকারকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ জনগণের অর্থে নির্মিত প্রকল্প কোনো ব্যক্তিগত উপহার নয়। এটি জনগণের অধিকার।
একটি সেতু কোনো নেতার ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। একটি হাসপাতাল কোনো সরকারের ব্যক্তিগত দান নয়। একটি সড়ক কোনো দলের অনুগ্রহ নয়। এসব নির্মিত হয় জনগণের অর্থে, জনগণের জন্য। তাই উদ্বোধনের ফলকে ব্যক্তির নাম যত বড়ই লেখা থাকুক, প্রকৃত মালিক জনগণ।
এখানে গণমাধ্যমেরও দায়িত্ব আছে। উদ্বোধনের ছবি প্রকাশ করলেই দায়িত্ব শেষ নয়। কয়েক বছর পর প্রকল্পটি কোথায় দাঁড়িয়ে আছে, তা অনুসরণ করা প্রয়োজন। উদ্বোধনের দিন যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা বাস্তবায়িত হয়েছে কি না—সেটি যাচাই করা দরকার। কারণ একটি প্রকল্পের গল্প শুরু হয় উদ্বোধনের দিন নয়; উদ্বোধনের পরের দিন থেকে।
সেদিন থেকেই নাগরিক ব্যবহার করতে শুরু করেন রাস্তা, সেতু, হাসপাতাল, বিদ্যালয় বা অন্য কোনো অবকাঠামো। সেদিন থেকেই প্রকল্পের প্রকৃত পরীক্ষা শুরু হয়। উদ্বোধনী মঞ্চের আলো নিভে যাওয়ার পর প্রকল্পটি মানুষের জীবনে আলো জ্বালাতে পারছে কি না—সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।
আমাদের দেশে উন্নয়নের সবচেয়ে বড় সংকট হয়তো প্রকল্পের অভাব নয়। বরং প্রকল্পের গুণগত মান, সময়মতো বাস্তবায়ন, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ফলাফল পরিমাপের অভাব। একটি প্রকল্প শেষ হওয়ার পর যদি জনগণের জীবন সহজ না হয়, তাহলে সেই প্রকল্পের উদ্বোধন যত জাঁকজমকপূর্ণই হোক, তা সফল উন্নয়ন নয়। উন্নয়ন কোনো উৎসব নয়। উন্নয়ন কোনো ফিতা নয়। উন্নয়ন কোনো ফলক নয়। উন্নয়ন কোনো ছবির ক্যাপশনও নয়।
উন্নয়ন হলো—একজন কৃষকের পণ্য দ্রুত বাজারে পৌঁছানো, একজন রোগীর সময়মতো চিকিৎসা পাওয়া, একজন শিক্ষার্থীর নিরাপদ বিদ্যালয়ে যাওয়া, একজন শ্রমিকের কর্মস্থলে পৌঁছাতে কম সময় লাগা, একজন সাধারণ মানুষের জীবন থেকে কিছুটা কষ্ট কমে যাওয়া। তাই আমাদের উন্নয়নের নতুন সংস্কৃতি দরকার—যেখানে উদ্বোধনের চেয়ে ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ, ফলকের চেয়ে ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ, বক্তৃতার চেয়ে সেবা গুরুত্বপূর্ণ এবং অনুষ্ঠানের চেয়ে স্থায়িত্ব গুরুত্বপূর্ণ।
নাগরিকের প্রিয় খেলা যদি সত্যিই ‘উদ্বোধন দেখা’ হয়ে থাকে, তবে সেটি নাগরিকের দোষ নয়। আমরা তাকে এমন এক উন্নয়ন-সংস্কৃতির দর্শক বানিয়েছি, যেখানে কাজের চেয়ে কাজের ঘোষণা বেশি দৃশ্যমান, সেবার চেয়ে সেবার প্রচার বেশি জোরালো এবং প্রকল্পের চেয়ে প্রকল্পের উদ্বোধন বেশি স্মরণীয়। কিন্তু একদিন আমাদের এই সংস্কৃতি বদলাতেই হবে। কারণ জনগণ চিরকাল ফিতা কাটার দৃশ্য দেখে সন্তুষ্ট থাকবে না। একসময় তারা ফলকের দিকে তাকিয়ে নয়, নিজেদের জীবনের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করবে—এই প্রকল্পে আমার কী হলো? সেদিন উন্নয়নের আসল পরীক্ষা শুরু হবে।
আর তখন হয়তো রাষ্ট্রও বুঝবে—উন্নয়ন মানে উদ্বোধন নয়; উদ্বোধনের পরও একটি সেতু দাঁড়িয়ে থাকা, একটি হাসপাতাল সেবা দেওয়া, একটি রাস্তা টিকে থাকা এবং একজন সাধারণ নাগরিকের জীবন সত্যিই একটু সহজ হয়ে ওঠা।
লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট। ডেপুটি এডিটর, জাগো নিউজ।
[email protected]
এইচআর/এএসএম
What's Your Reaction?