উন্নয়নের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব : আখতার হোসেন
রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেছেন, উত্তরাঞ্চলে চারজন পূর্ণমন্ত্রী থাকা সত্ত্বেও আমরা দলাদলি নয়, উন্নয়নের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কাউনিয়া উপজেলা পরিষদের হলরুমে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি জানান, নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি একক দল বা গোষ্ঠীর এমপি নন। তাই দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে চান।
নিজেকে বিরোধীদলের সংসদ সদস্য উল্লেখ করে আখতার হোসেন বলেন, ‘দায়িত্ব পালনে নানা চ্যালেঞ্জ থাকলেও জনগণের সহযোগিতা থাকলে সেসব বাধা অতিক্রম করা সম্ভব। উন্নয়ন ও জনকল্যাণের ক্ষেত্রে কোনো বিভাজন নয়, সমন্বিত উদ্যোগই হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গ্রামের সাধারণ মানুষ সরকারি অফিসে এসে ভীতি বা সংকোচে ভোগেন। নিয়ম-কানুন সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে তারা কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হন। তাই কর্মকর্তাদের আরও সহিষ্ণু ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের সেবা প্রদানই সরকারি চাকরির মূল উদ্দেশ্য।’
আখতার হোসেন সরকারি দপ্তরগুলোতে মানবিক আচরণ ও দ্রুত সেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন। ‘আগে আসা ব্যক্তি আগে সেবা।’ নীতি এবং জরুরি বিষয়গুলো অগ্রাধ
রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেছেন, উত্তরাঞ্চলে চারজন পূর্ণমন্ত্রী থাকা সত্ত্বেও আমরা দলাদলি নয়, উন্নয়নের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কাউনিয়া উপজেলা পরিষদের হলরুমে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি জানান, নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি একক দল বা গোষ্ঠীর এমপি নন। তাই দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে চান।
নিজেকে বিরোধীদলের সংসদ সদস্য উল্লেখ করে আখতার হোসেন বলেন, ‘দায়িত্ব পালনে নানা চ্যালেঞ্জ থাকলেও জনগণের সহযোগিতা থাকলে সেসব বাধা অতিক্রম করা সম্ভব। উন্নয়ন ও জনকল্যাণের ক্ষেত্রে কোনো বিভাজন নয়, সমন্বিত উদ্যোগই হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গ্রামের সাধারণ মানুষ সরকারি অফিসে এসে ভীতি বা সংকোচে ভোগেন। নিয়ম-কানুন সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে তারা কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হন। তাই কর্মকর্তাদের আরও সহিষ্ণু ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের সেবা প্রদানই সরকারি চাকরির মূল উদ্দেশ্য।’
আখতার হোসেন সরকারি দপ্তরগুলোতে মানবিক আচরণ ও দ্রুত সেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন। ‘আগে আসা ব্যক্তি আগে সেবা।’ নীতি এবং জরুরি বিষয়গুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা রাখতে হবে বলেও জানান তিনি।
সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে স্বাধীন ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার বিকল্প নেই। গণমাধ্যমকর্মীদের ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা জাতীয় সংসদে উত্থাপন করার আশ্বাসও দেন।’
সভায় তিনি জুলাই আন্দোলনে আহত ও শহিদ পরিবারের সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পরে জুলাই যোদ্ধা ও শহিদ পরিবারদের মধ্যে রমজান উপলক্ষ্যে শুকনো খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।