উমরাহ ফেরত যাত্রীর ব্যাগে মিলল স্বর্ণ-ডলার, বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার

উমরাহ শেষে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফেরা এক যাত্রীর ব্যাগ থেকে প্রায় আধা কেজি স্বর্ণালংকার ও বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধার করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে বিমানবন্দরের আগমনী ক্যানোপি-২-এর খোলা কার পার্কিং এলাকা থেকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তার মফিদুল ইসলাম (৪৩) তিনি খুলনা জেলার লবণচরা এলাকার বাসিন্দা। এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন সূত্রে জানা গেছে, মফিদুল ইসলাম সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরেন। বিমানবন্দরে নামার পর পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। পরে এপিবিএন অফিসে নিয়ে তার শরীর ও ব্যাগ তল্লাশি করে ৪৯৯ দশমিক ১ গ্রাম স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ২১ ক্যারেট মানের এ স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৮৩ লাখ ৮৪ হাজার ৮৮০ টাকা। স্বর্ণের পাশাপাশি ওই ব্যক্তির কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৯ হাজার মার্কিন ডলার, ৮ হাজার ৫০১ সৌদি রিয়াল, ১ হাজার ৮০০ মিসরীয় পাউন্ড এবং ১৫০ রোমানিয়ান লিউ। এ ছাড়া তার কাছে ৮০ হাজার ১১৭ বাংলাদেশি টাকাও পাওয়া যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞা

উমরাহ ফেরত যাত্রীর ব্যাগে মিলল স্বর্ণ-ডলার, বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার
উমরাহ শেষে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফেরা এক যাত্রীর ব্যাগ থেকে প্রায় আধা কেজি স্বর্ণালংকার ও বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধার করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে বিমানবন্দরের আগমনী ক্যানোপি-২-এর খোলা কার পার্কিং এলাকা থেকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তার মফিদুল ইসলাম (৪৩) তিনি খুলনা জেলার লবণচরা এলাকার বাসিন্দা। এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন সূত্রে জানা গেছে, মফিদুল ইসলাম সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরেন। বিমানবন্দরে নামার পর পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। পরে এপিবিএন অফিসে নিয়ে তার শরীর ও ব্যাগ তল্লাশি করে ৪৯৯ দশমিক ১ গ্রাম স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ২১ ক্যারেট মানের এ স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৮৩ লাখ ৮৪ হাজার ৮৮০ টাকা। স্বর্ণের পাশাপাশি ওই ব্যক্তির কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৯ হাজার মার্কিন ডলার, ৮ হাজার ৫০১ সৌদি রিয়াল, ১ হাজার ৮০০ মিসরীয় পাউন্ড এবং ১৫০ রোমানিয়ান লিউ। এ ছাড়া তার কাছে ৮০ হাজার ১১৭ বাংলাদেশি টাকাও পাওয়া যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, মফিদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে একটি চোরাচালান সিন্ডিকেটের ‘রিসিভার’ হিসেবে কাজ করছিলেন। উদ্ধারকৃত স্বর্ণগুলো বিভিন্ন দেশ থেকে আসা অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে দেশে আনা হয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় মফিদুলের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজাউল কবির বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় চোরাচালান রোধে এপিবিএন সবসময় সক্রিয় রয়েছে। যেকোনো ধরনের অবৈধ কার্যক্রম ও চোরাচালান প্রতিরোধে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে এবং এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow