এআই চ্যাটে কী বলছে সন্তান, জানতে পাবেন অভিভাবকরা
কিশোর-কিশোরীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর সঙ্গে কী ধরনের কথোপকথন করছে, তা জানার এবং তাদের ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মেটা নতুন এক নজরদারি ব্যবস্থা চালু করেছে। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং মেসেঞ্জারে এখন অভিভাবকদের জন্য একটি বিশেষ ইনসাইটস ট্যাব যুক্ত করা হয়েছে, যার মাধ্যমে তারা গত এক সপ্তাহে তাদের সন্তানদের এআই সংক্রান্ত আগ্রহের বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে পারবেন। এই উদ্যোগের ফলে অভিভাবকরা স্কুল, বিনোদন, লাইফস্টাইল, ভ্রমণ এবং স্বাস্থ্য ও সুস্থতার মতো বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে তাদের সন্তানদের এআই ব্যবহারের ধরণ সম্পর্কে ধারণা পাবেন। নতুন এই ফিচারের মাধ্যমে অভিভাবকরা কেবল জানতে পারবেন, তাদের সন্তান কী বিষয়ে প্রশ্ন করছে, বরং মেটার এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট কোনো প্রশ্নের উত্তর না দিলেও অভিভাবকরা সেই অনুসন্ধানের বিষয়বস্তু দেখতে পাবেন। অভিভাবকেরা চাইলে কোনো একটি বিষয়ে ক্লিক করে কিছু অতিরিক্ত তথ্য দেখতে পারবেন। তবে সেটিও সীমিত। মেটা বলছে, ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা বজায় রেখেই এই তথ্য দেখানো হবে। এছাড়া এই ডেটা শুধু সর্বশেষ সাত দিনের কথোপকথনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হবে। উদাহরণ হিসেবে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্
কিশোর-কিশোরীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর সঙ্গে কী ধরনের কথোপকথন করছে, তা জানার এবং তাদের ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মেটা নতুন এক নজরদারি ব্যবস্থা চালু করেছে।
ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং মেসেঞ্জারে এখন অভিভাবকদের জন্য একটি বিশেষ ইনসাইটস ট্যাব যুক্ত করা হয়েছে, যার মাধ্যমে তারা গত এক সপ্তাহে তাদের সন্তানদের এআই সংক্রান্ত আগ্রহের বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে পারবেন।
এই উদ্যোগের ফলে অভিভাবকরা স্কুল, বিনোদন, লাইফস্টাইল, ভ্রমণ এবং স্বাস্থ্য ও সুস্থতার মতো বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে তাদের সন্তানদের এআই ব্যবহারের ধরণ সম্পর্কে ধারণা পাবেন।
নতুন এই ফিচারের মাধ্যমে অভিভাবকরা কেবল জানতে পারবেন, তাদের সন্তান কী বিষয়ে প্রশ্ন করছে, বরং মেটার এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট কোনো প্রশ্নের উত্তর না দিলেও অভিভাবকরা সেই অনুসন্ধানের বিষয়বস্তু দেখতে পাবেন।
অভিভাবকেরা চাইলে কোনো একটি বিষয়ে ক্লিক করে কিছু অতিরিক্ত তথ্য দেখতে পারবেন। তবে সেটিও সীমিত।
মেটা বলছে, ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা বজায় রেখেই এই তথ্য দেখানো হবে। এছাড়া এই ডেটা শুধু সর্বশেষ সাত দিনের কথোপকথনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হবে।
উদাহরণ হিসেবে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য ও সুস্থতা বিভাগে শারীরিক ফিটনেস, শারীরিক অসুস্থতা বা মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত আলোচনাগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। এতে অভিভাবকরা সন্তানের অনলাইন আচরণ সম্পর্কে একটি ধারণা পাবেন বলে মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি।
এই ফিচারটি এমন সময়ে আনা হচ্ছে, যখন মেটা শিশু ও কিশোরদের নিরাপত্তা নিয়ে ব্যাপক চাপের মুখে রয়েছে।
সম্প্রতি শিশু সুরক্ষা সংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ মামলায় পরাজিত হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এসব মামলায় অভিযোগ ছিল, মেটার পণ্যগুলো আসক্তি তৈরির মতো করে ডিজাইন করা এবং যথেষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না।
মেটা জানিয়েছে, তারা এই রায়গুলোর বিরুদ্ধে আপিল করবে।
এর মাধ্যমে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের সঙ্গে এআই ব্যবহারের অভিজ্ঞতা নিয়ে আরও খোলামেলা ও বিচারহীন আলোচনা করার সুযোগ পাবেন।
অভিভাবকদের সুবিধার্থে মেটা সাইবারবুলিং রিসার্চ সেন্টারের সহায়তায় কিছু কথোপকথন শুরুর কৌশল বা কনভারসেশন স্টার্টার তৈরি করেছে, যা ফ্যামিলি সেন্টার ওয়েবসাইট এবং ইনসাইটস ট্যাব থেকে পাওয়া যাবে। এছাড়া কিশোর-কিশোরীদের এআই অভিজ্ঞতাকে নিরাপদ ও দায়িত্বশীল রাখতে মেটা একটি এআই ওয়েলবিং এক্সপার্ট কাউন্সিল গঠন করেছে।
বিভিন্ন নামী বিশ্ববিদ্যালয় ও সংস্থার বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত এই কাউন্সিল মেটার এআই নীতিমালা ও পণ্য উন্নয়নের বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করবে, যাতে প্রযুক্তির বিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কিশোর-কিশোরীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায়। এই ইনসাইটস ফিচারটি পর্যায়ক্রমে বিশ্বব্যাপী সকল অভিভাবকের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে।
What's Your Reaction?