এআই দিয়ে প্রবেশপত্র বানিয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার চেষ্টা, আটক ২

টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার পর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ভুয়া অ্যাডমিট কার্ড তৈরি করে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার চেষ্টা করেন এক শিক্ষার্থী। তবে প্রবেশপত্র যাচাইয়ের সময় জালিয়াতি ধরা পড়লে তাকে ও সহযোগীকে আটক করে কলেজ কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার তফজ্জল আলী ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রের এ ঘটনা ঘটে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, জেলার কসবা মহিলা ডিগ্রি কলেজের অকৃতকার্য শিক্ষার্থী তাসফিয়া রহমান জান্নাত (১৮) এবং তার সহযোগী ইনজামুল হক (১৯)। তফজ্জল আলী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ জানান, তাসফিয়া রহমান জান্নাত তার এক পরিচিত যুবকের সহযোগিতায় এআই ব্যবহার করে একটি ভুয়া অ্যাডমিট কার্ড তৈরি করেন এবং তা দিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে আসেন। পরীক্ষা শুরুর আগে প্রবেশপত্র যাচাইয়ের সময় অ্যাডমিট কার্ডে উল্লিখিত কোড নম্বর ও পরীক্ষার বিষয়ের সঙ্গে অসংগতি ধরা পড়ে। এতে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের সন্দেহ হলে তারা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে বোর্ড থেকে নিশ্চিত করা হয় যে অ্যাডমিট কার্ড

এআই দিয়ে প্রবেশপত্র বানিয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার চেষ্টা, আটক ২

টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার পর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ভুয়া অ্যাডমিট কার্ড তৈরি করে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার চেষ্টা করেন এক শিক্ষার্থী। তবে প্রবেশপত্র যাচাইয়ের সময় জালিয়াতি ধরা পড়লে তাকে ও সহযোগীকে আটক করে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার তফজ্জল আলী ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রের এ ঘটনা ঘটে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, জেলার কসবা মহিলা ডিগ্রি কলেজের অকৃতকার্য শিক্ষার্থী তাসফিয়া রহমান জান্নাত (১৮) এবং তার সহযোগী ইনজামুল হক (১৯)।

তফজ্জল আলী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ জানান, তাসফিয়া রহমান জান্নাত তার এক পরিচিত যুবকের সহযোগিতায় এআই ব্যবহার করে একটি ভুয়া অ্যাডমিট কার্ড তৈরি করেন এবং তা দিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে আসেন। পরীক্ষা শুরুর আগে প্রবেশপত্র যাচাইয়ের সময় অ্যাডমিট কার্ডে উল্লিখিত কোড নম্বর ও পরীক্ষার বিষয়ের সঙ্গে অসংগতি ধরা পড়ে। এতে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের সন্দেহ হলে তারা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে বোর্ড থেকে নিশ্চিত করা হয় যে অ্যাডমিট কার্ডটি সম্পূর্ণ ভুয়া। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনকে জানানো হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

কসবা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তানজিল কবির জানান, টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় তাসফিয়া রহমান জান্নাত এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তার সহযোগীর সহায়তায় একটি জাল প্রবেশপত্র তৈরি করে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার চেষ্টা করেন। কলেজ কর্তৃপক্ষের তৎপরতায় তিনি ধরা পড়েন।

তিনি বলেন, তদন্তে জানা যায়, ভুয়া প্রবেশপত্র তৈরিতে ইনজামুল হক তাকে সহায়তা করেছেন। এ অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত উভয়কে ২০ হাজার টাকা করে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধে জড়াবেন না এ মর্মে তাদের কাছ থেকে কঠোর মুচলেকা নেওয়া হয়।

আবুল হাসনাত মো. রাফি/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow