এইচটিসির নতুন স্মার্টফোন বাজারে, তৈরি হচ্ছে দেশেই

বিশ্বখ্যাত মোবাইল ব্র্যান্ড এইচটিসি এখন বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে। দেশীয় কারখানাতেই উৎপাদিত হচ্ছে স্মার্টফোনটি। সম্প্রতি বাংলাদেশের বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে পাওয়া যাচ্ছে এইচটিসি’র নতুন মডেল ‘ওয়াইল্ডফায়ার ই৭ লাইফ’। ফোনটি উৎপাদন ও বাজারজাত করছে দেশীয় প্রতিষ্ঠান সেলেক্সট্রা লিমিটেড। বিশ্বের প্রথম টাচস্ক্রিন হ্যান্ডসেট এবং প্রথম অ্যান্ড্রয়েড ফোন নির্মাতা হিসেবে খ্যাত এইচটিসি একসময় বিশ্ববাজারে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছিল। দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশকে বেছে নিয়ে আবারও বাজারে ফিরছে এই কিংবদন্তি ব্র্যান্ড। দেশের কারখানায় তৈরি এই ফোনের মাধ্যমে বাংলাদেশ এখন বিশ্বমানের মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় নাম লেখালো। অক্টাকোর প্রসেসরের এই সাশ্রয়ী মডেলে রয়েছে ওয়াটারড্রপ এবং ইনসেল প্রযুক্তি ফিচার সমৃদ্ধ ৬.৭ ইঞ্চির এইচডি+ ডিসপ্লে এবং ১২০ হার্জের রিফ্রেশ রেট। মেইন ক্যামেরা ৫০ মেগাপিক্সেলের আর মেমোরি ৬+১২৮ জিবি। সেলেক্সট্রা লিমিটেডের বিপণন বিভাগের প্রধান মামুন খান বলেন, ‘এই মূল্যস্তরে এইচটিসি ওয়াইল্ডফায়ার ই৭ লাইফ বর্তমানে বাংলাদেশের বাজারের সবচেয়ে শক্তিশালী ও আকর্ষণীয় ফোন। দেশে তৈরি হওয়ায় গুণগত মান নিশ্চিত করাসহ দামও

এইচটিসির নতুন স্মার্টফোন বাজারে, তৈরি হচ্ছে দেশেই

বিশ্বখ্যাত মোবাইল ব্র্যান্ড এইচটিসি এখন বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে। দেশীয় কারখানাতেই উৎপাদিত হচ্ছে স্মার্টফোনটি। সম্প্রতি বাংলাদেশের বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে পাওয়া যাচ্ছে এইচটিসি’র নতুন মডেল ‘ওয়াইল্ডফায়ার ই৭ লাইফ’। ফোনটি উৎপাদন ও বাজারজাত করছে দেশীয় প্রতিষ্ঠান সেলেক্সট্রা লিমিটেড।

বিশ্বের প্রথম টাচস্ক্রিন হ্যান্ডসেট এবং প্রথম অ্যান্ড্রয়েড ফোন নির্মাতা হিসেবে খ্যাত এইচটিসি একসময় বিশ্ববাজারে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছিল। দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশকে বেছে নিয়ে আবারও বাজারে ফিরছে এই কিংবদন্তি ব্র্যান্ড। দেশের কারখানায় তৈরি এই ফোনের মাধ্যমে বাংলাদেশ এখন বিশ্বমানের মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় নাম লেখালো।

অক্টাকোর প্রসেসরের এই সাশ্রয়ী মডেলে রয়েছে ওয়াটারড্রপ এবং ইনসেল প্রযুক্তি ফিচার সমৃদ্ধ ৬.৭ ইঞ্চির এইচডি+ ডিসপ্লে এবং ১২০ হার্জের রিফ্রেশ রেট। মেইন ক্যামেরা ৫০ মেগাপিক্সেলের আর মেমোরি ৬+১২৮ জিবি।

সেলেক্সট্রা লিমিটেডের বিপণন বিভাগের প্রধান মামুন খান বলেন, ‘এই মূল্যস্তরে এইচটিসি ওয়াইল্ডফায়ার ই৭ লাইফ বর্তমানে বাংলাদেশের বাজারের সবচেয়ে শক্তিশালী ও আকর্ষণীয় ফোন। দেশে তৈরি হওয়ায় গুণগত মান নিশ্চিত করাসহ দামও রাখা গেছে ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে।’

তাইওয়ান ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এইচটিসি ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর এক বছর পরই তারা বিশ্বের প্রথম টাচস্ক্রিন ওয়্যারলেস হ্যান্ডসেট ডিভাইস চালু করে, যা মোবাইল ইন্ডাস্ট্রির ভিত্তি স্থাপন করে। এরপর ২০০৪ সাল থেকে উইন্ডোজ মোবাইলভিত্তিক পিডিএ এবং স্মার্টফোন তৈরি শুরু করে, যা ২০০৬ সালে ‘এইচটিসি’ ব্র্যান্ডে রিলিজ হয়।

২০০৮ সালে এইচটিসি অ্যান্ড্রয়েডের জন্মদাতা হিসেবে পরিচিত হয়, যখন তারা প্রথম অ্যান্ড্রয়েড ফোন ‘এইচটিসি ড্রিম’ (টি-মোবাইল জি১) লঞ্চ করে। এরপর অ্যাপল-স্যামসাংয়ের প্রতিযোগিতায় বাজার শেয়ার কমে গেলেও আবারও নিজের অবস্থান ফিরে পেতে চলেছে বিখ্যাত এই ব্র্যান্ডটি।

আরও পড়ুন
এআইতে ঝুঁকছে মেটা, এক হাজারের বেশি কর্মী ছাঁটাই
ফোনের স্ক্রিন মাঝে মাঝেই সাদা-কালো হচ্ছে, যা করবেন

আইএইচও/কেএসকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow