একসঙ্গে প্রেমিক-প্রেমিকার বিষপান, প্রেমিকা মিমের মৃত্যু

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে পরিবার প্রেমের সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় অভিমানে বিষপান করেছে প্রেমিকা-প্রেমিকা। এতে প্রেমিকা মীম আকতারের (১৯) মৃত্যু হয়েছে। প্রেমিক মোরসালীন হাসান পরশ (২৫) মৃত্যুর প্রহর গুনছে হাসপাতালে। রোববার (১৯ এপ্রিল) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাদুল্লাপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম হাবিবুল ইসলাম। এদিন সকালে উপজেলার জয়েনপুর গ্রামে প্রেমিকা-প্রেমিকা একসঙ্গে বিষপান করেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মীম আক্তার জয়েনপুর গ্রামের শফিউল ইসলামের মেয়ে ও প্রেমিক পরশ একই গ্রামের হামিদ মিয়ার ছেলে। তারা একে অপরের প্রতিবেশী বলে জানা গেছে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে মোরছালিন হাসান পরশ ও মীম আক্তারের মধ্য প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। একপর্যায়ে বিষয়টি পারিবারিকভাবে জানাজানি হলে তারা দুজনই নিজেদের পরিবারে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এতে উভয়ের পরিবার রাজি না হওয়ায় অভিমানে পরশ ও মীম আজ সকালে একসঙ্গে বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। বিষপানের ঘটনা টের পেয়ে স্বজনরা তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরে সেখানে চিকিৎ

একসঙ্গে প্রেমিক-প্রেমিকার বিষপান, প্রেমিকা মিমের মৃত্যু

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে পরিবার প্রেমের সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় অভিমানে বিষপান করেছে প্রেমিকা-প্রেমিকা। এতে প্রেমিকা মীম আকতারের (১৯) মৃত্যু হয়েছে। প্রেমিক মোরসালীন হাসান পরশ (২৫) মৃত্যুর প্রহর গুনছে হাসপাতালে।

রোববার (১৯ এপ্রিল) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাদুল্লাপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম হাবিবুল ইসলাম।

এদিন সকালে উপজেলার জয়েনপুর গ্রামে প্রেমিকা-প্রেমিকা একসঙ্গে বিষপান করেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

মীম আক্তার জয়েনপুর গ্রামের শফিউল ইসলামের মেয়ে ও প্রেমিক পরশ একই গ্রামের হামিদ মিয়ার ছেলে। তারা একে অপরের প্রতিবেশী বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে মোরছালিন হাসান পরশ ও মীম আক্তারের মধ্য প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। একপর্যায়ে বিষয়টি পারিবারিকভাবে জানাজানি হলে তারা দুজনই নিজেদের পরিবারে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এতে উভয়ের পরিবার রাজি না হওয়ায় অভিমানে পরশ ও মীম আজ সকালে একসঙ্গে বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। বিষপানের ঘটনা টের পেয়ে স্বজনরা তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রেমিকা মীম আক্তারের মৃত্যু হয়। এছাড়া প্রেমিক পরশের শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

সাদুল্লাপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম হাবিবুল ইসলাম বলেন, মীম আক্তারের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে বলেও জানান ওসি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow