একাধিক শহরে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করল ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের একাধিক শহরে বিভিন্ন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করা হয়েছে।  বুধবার (২২ এপ্রিল) বিবিসির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের রাজধানী তেহরানের একটি প্রধান চত্বরে ‘ঘদর’ নামক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করা হয়। এ সমাবেশে উপস্থিত জনতা ‘আমেরিকার মৃত্যু হোক’ স্লোগান দেয়। পাশাপাশি ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর একজন কমান্ডার মজিদ মৌসাভিকে তেলআবিবে হামলার আহ্বান জানায়। একই সময়ে তেহরানের আরেকটি বড় চত্বরে সমাবেশে ‘খোররামশাহর-৪’ নামের আরেকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করা হয়। ওই ক্ষেপণাস্ত্রটির সঙ্গে লক্ষ্য হিসেবে কাতারের একটি গ্যাস কোম্পানির ছবি লাগানো ছিল। শুধু তেহরানেই নয় ইরানের দক্ষিণের সিরাজ, উত্তর-পশ্চিমের তাবরিজ এবং মধ্যাঞ্চলের যানযান শহরেও একই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করা হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে প্রতিদিনই ইরানের বিভিন্ন চত্বরে এসব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ ধরনের সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা জাতীয় পতাকা নিয়ে ইরানের প্রতি সমর্থন প্রদর্শন করেন। দেশটির সরকারি ও রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সাধারণ মানুষক

একাধিক শহরে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করল ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের একাধিক শহরে বিভিন্ন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করা হয়েছে। 

বুধবার (২২ এপ্রিল) বিবিসির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের রাজধানী তেহরানের একটি প্রধান চত্বরে ‘ঘদর’ নামক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করা হয়। এ সমাবেশে উপস্থিত জনতা ‘আমেরিকার মৃত্যু হোক’ স্লোগান দেয়। পাশাপাশি ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর একজন কমান্ডার মজিদ মৌসাভিকে তেলআবিবে হামলার আহ্বান জানায়।

একই সময়ে তেহরানের আরেকটি বড় চত্বরে সমাবেশে ‘খোররামশাহর-৪’ নামের আরেকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করা হয়। ওই ক্ষেপণাস্ত্রটির সঙ্গে লক্ষ্য হিসেবে কাতারের একটি গ্যাস কোম্পানির ছবি লাগানো ছিল।

শুধু তেহরানেই নয় ইরানের দক্ষিণের সিরাজ, উত্তর-পশ্চিমের তাবরিজ এবং মধ্যাঞ্চলের যানযান শহরেও একই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করা হয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে প্রতিদিনই ইরানের বিভিন্ন চত্বরে এসব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ ধরনের সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা জাতীয় পতাকা নিয়ে ইরানের প্রতি সমর্থন প্রদর্শন করেন। দেশটির সরকারি ও রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সাধারণ মানুষকে এসব কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow