এক-দুই ঘণ্টা বৃষ্টি হওয়ার দোয়া করতে বলেছিলাম: কামরান আকমল
সব রোমাঞ্চ অপেক্ষা করছিল শেষ দিনের জন্যই। ড্র, বাংলাদেশের জয়, পাকিস্তানের জয়—তিন ধরনের ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু শেষ হাসি হাসল বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে টেস্ট, ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি—তিন সংস্করণেই পাকিস্তানকে হারাল বাংলাদেশ। ২০২৪ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে দুই টেস্ট জয়ের পর এবার মিরপুরে পাকিস্তানকে হারিয়ে তাদের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক টেস্ট জিতল বাংলাদেশ। মিরপুর টেস্টে বাংলাদেশের কাছে ১০৪ রানের ঐতিহাসিক হারের পর পাকিস্তানের ক্রিকেট অঙ্গনে চলছে তুমুল সমালোচনা। সাবেক ক্রিকেটারদের তোপের মুখে পড়েছেন শান মাসুদরা। এবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ক্ষোভ উগরে দিলেন সাবেক পাকিস্তানি উইকেটকিপার ব্যাটার কামরান আকমল। নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি টেস্ট ম্যাচ তো আর বাঁচাতে পারব না। কিন্তু গতকাল আমি বলেছিলাম যে, দোয়া করো যেন এক-দুই ঘণ্টা বৃষ্টি হয়। তাহলে এই টেস্ট ম্যাচ বেঁচে যাবে। তা না হলে তারা যদি ২৭০ রান করে, সেটাই করতে মুশকিল হয়ে যাবে। কেননা চতুর্থ ইনিংসে ৭০ ওভার ব্যাট করা এতটাও সহজ কাজ নয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু এখানে বলা হচ্ছিলো যে, আমরা চেজ কর
সব রোমাঞ্চ অপেক্ষা করছিল শেষ দিনের জন্যই। ড্র, বাংলাদেশের জয়, পাকিস্তানের জয়—তিন ধরনের ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু শেষ হাসি হাসল বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে টেস্ট, ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি—তিন সংস্করণেই পাকিস্তানকে হারাল বাংলাদেশ। ২০২৪ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে দুই টেস্ট জয়ের পর এবার মিরপুরে পাকিস্তানকে হারিয়ে তাদের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক টেস্ট জিতল বাংলাদেশ।
মিরপুর টেস্টে বাংলাদেশের কাছে ১০৪ রানের ঐতিহাসিক হারের পর পাকিস্তানের ক্রিকেট অঙ্গনে চলছে তুমুল সমালোচনা। সাবেক ক্রিকেটারদের তোপের মুখে পড়েছেন শান মাসুদরা। এবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ক্ষোভ উগরে দিলেন সাবেক পাকিস্তানি উইকেটকিপার ব্যাটার কামরান আকমল।
নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি টেস্ট ম্যাচ তো আর বাঁচাতে পারব না। কিন্তু গতকাল আমি বলেছিলাম যে, দোয়া করো যেন এক-দুই ঘণ্টা বৃষ্টি হয়। তাহলে এই টেস্ট ম্যাচ বেঁচে যাবে। তা না হলে তারা যদি ২৭০ রান করে, সেটাই করতে মুশকিল হয়ে যাবে। কেননা চতুর্থ ইনিংসে ৭০ ওভার ব্যাট করা এতটাও সহজ কাজ নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু এখানে বলা হচ্ছিলো যে, আমরা চেজ করবো, বড় ইনিংস খেলবো। এটা তাদের মুখেই মানায়, যারা নিয়মিত পারফর্ম করে। মাঠ সবকিছুই দেখিয়ে দেয়। পাকিস্তান ক্রিকেট দলের সঙ্গে একই ঘটনা বারবার হচ্ছে।’
এই হারকে লজ্জাজনক বলে অ্যাখ্যা দিয়েছেন কামরান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টে এমন হার মেনে নেওয়া যায় না। আমাদের খেলোয়াড়দের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ এবং পরিকল্পনা- সবকিছুই ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। আর কোন কোন দল আমাদের বলির পাঠা বানাবে। আর কেউ বাকি থাকল না। ক্রিকেটটা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হয় না। এটা মাঠে হয়। আর বাংলাদেশ মাঠেই খেলেছে, তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খেলেনি।’
হারের জন্য কেবল খেলোয়াড়দের নয়, বরং পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) ম্যানেজমেন্টকেও দায়ী করেছেন তিনি। আকমল যোগ করেন, ‘আমরা যদি এখনই ঘরোয়া ক্রিকেটের মান এবং খেলোয়াড় নির্বাচনের প্রক্রিয়া ঠিক না করি, তবে আরও বড় লজ্জার মুখোমুখি হতে হবে। বাংলাদেশ দেখিয়ে দিল কীভাবে পরিকল্পনা করে টেস্ট ম্যাচ জিততে হয়।’
সমালোচনার মাঝেও বাংলাদেশের লড়াকু মানসিকতার প্রশংসা করতে ভুলেননি তিনি। বিশেষ করে নাজমুল হোসেন শান্তর অধিনায়কত্ব এবং নাহিদ রানার গতির প্রশংসা করে তিনি জানান, বাংলাদেশ এখন টেস্টে যেকোনো বড় দলকে হারানোর সামর্থ্য রাখে।
What's Your Reaction?