এক মাস ২৩ দিন ধরে নিখোঁজ মাদ্রাসাছাত্র

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে এক মাস ২৩ দিন ধরে মো. শরীফ নামে এক মাদ্রাসাছাত্র নিখোঁজ রয়েছে। সোমবার (৯ আগস্ট) সকালে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। ছেলের সন্ধানে তার মা মোফাশেরা বেগম ও বাবা করিম চৌধুরী ঘুরে বেড়াচ্ছেন বিভিন্ন স্থানে।  নিখোঁজ শরীফ (১১) কমলনগর উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নের চরবসু গ্রামের রিকশাচালক করিম চৌধুরীর ছেলে। তার সন্ধানে ২২ জুন তার মা মোফাশেরা বেগম কমলনগর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন।  নিখোঁজ ডায়েরি ও পরিবার সূত্র জানায়, গত ১৭ জুন সকালে উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নের চরবসু গ্রামের বাড়ি থেকে বের হয়ে শরীফ আর ফিরে আসেনি। শরীফ স্থানীয় একটি মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র।  নিখোঁজ শরীফের মা মোফাশেরা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে কালবেলাকে বলেন, ঘটনার দিন ভোরে শরীফ নামাজ পড়তে ওঠে। পরে তাকে ২০ টাকা দেওয়া হয় বিস্কুট খেতে। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন এলাকায় তাকে খোঁজ করেও পাইনি। আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতেও সে যায়নি।  শরীফের বাবা করিম চৌধুরী কালবেলাকে বলেন, দয়া করে কোথাও আমার ছেলে শরীফকে দেখলে কমলনগর থানায় যোগাযোগ করার অনুরোধ করছি। এছাড়

এক মাস ২৩ দিন ধরে নিখোঁজ মাদ্রাসাছাত্র
লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে এক মাস ২৩ দিন ধরে মো. শরীফ নামে এক মাদ্রাসাছাত্র নিখোঁজ রয়েছে। সোমবার (৯ আগস্ট) সকালে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। ছেলের সন্ধানে তার মা মোফাশেরা বেগম ও বাবা করিম চৌধুরী ঘুরে বেড়াচ্ছেন বিভিন্ন স্থানে।  নিখোঁজ শরীফ (১১) কমলনগর উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নের চরবসু গ্রামের রিকশাচালক করিম চৌধুরীর ছেলে। তার সন্ধানে ২২ জুন তার মা মোফাশেরা বেগম কমলনগর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন।  নিখোঁজ ডায়েরি ও পরিবার সূত্র জানায়, গত ১৭ জুন সকালে উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নের চরবসু গ্রামের বাড়ি থেকে বের হয়ে শরীফ আর ফিরে আসেনি। শরীফ স্থানীয় একটি মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র।  নিখোঁজ শরীফের মা মোফাশেরা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে কালবেলাকে বলেন, ঘটনার দিন ভোরে শরীফ নামাজ পড়তে ওঠে। পরে তাকে ২০ টাকা দেওয়া হয় বিস্কুট খেতে। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন এলাকায় তাকে খোঁজ করেও পাইনি। আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতেও সে যায়নি।  শরীফের বাবা করিম চৌধুরী কালবেলাকে বলেন, দয়া করে কোথাও আমার ছেলে শরীফকে দেখলে কমলনগর থানায় যোগাযোগ করার অনুরোধ করছি। এছাড়া আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করছি।  কমলনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কাউছার আহমেদ কালবেলাকে বলেন, শরীফের নিখোঁজের ঘটনায় থানায় জিডি করা হয়েছে। আমরা অনেক জায়গায় খুঁজেছি, এখনো তার সন্ধান পাইনি। তাকে খুঁজে পেতে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে। কেউ যদি তার সন্ধান পায় কমলনগর থানায় যোগাযোগের জন্য অনুরোধ রইল। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow